360 News
সর্বশেষ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচন করার বাধা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

বেসরকারি স্কুলের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পারওয়ার।মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান। ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার এই বিধান সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। বিধানটি বাতিল না হলে নির্বাচন কমিশন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।গোলাম পারওয়ার বলেন, বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক চাকরিতে রয়েছেন।এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যকে পদায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওই কর্মকর্তাকে অপসারণের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনার শুরুতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে তাঁরা বেরিয়ে যান।ওয়াকআউট করা দুই সদস্য হলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম ও আব্দুল বাতেন। এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকও বর্জন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপন করা হয়। বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যথাক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।‘ওয়াকআউট সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না’রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। আলোচনা শুরুর আগে তাঁরা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন।কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনাসংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও সভায় জানানো হয়।বৈঠকে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ বাগেরহাটের মোংলার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ‘ব্লেম গেম’ পরিহার করা উচিত বলে মত দেন কমিটির সদস্যরা।সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্তবৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল ও আবদুল বাতেন অংশ নেন। কয়েক মিনিট বৈঠক চলার পর গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাঁরা জানান, জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে তাঁরা ওয়াকআউট করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় কমিটির বৈঠকও বর্জন করবেন। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং শিরীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওর অংশীদারত্ব: অর্থমন্ত্রী

বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকার, বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।তিনি বলেন, শুধু বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন নয়, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকার, ব্যক্তিখাত ও এনজিওগুলোর যৌথ অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন একটি অর্থনৈতিক মডেল বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার কাজ চলছে।রোববার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে আমরা যে পাইলট প্রজেক্টটি করেছি, তাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি বা ভুল হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।’তিনি দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হবে না।ত্রাণ বিতরণে অপচয় ও দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগঅর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক পদ্ধতি ও দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশে সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে ক্ষতি ও অপচয় হয়। এর অন্যতম কারণ দুর্নীতি, অপচয় ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাব।সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে জরুরি সহায়তা দেওয়ার কাজ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা ও অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমে এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে।সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টনের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্পদ ও সক্ষমতাকে যুক্ত করে সামগ্রিক পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।বেসরকারি খাত ও এনজিও যুক্ত হলে দক্ষতা বাড়েআমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে এককভাবে সব ধরনের সহায়তা সঠিকভাবে বিতরণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এতে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়।তাঁর মতে, সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজের দক্ষতা বাড়ে এবং একই সঙ্গে অপচয় ও দুর্নীতি কমানো সম্ভব হয়।তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে, আজকের এই বন্যা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।’ফ্যামিলি কার্ডকে কার্যকর ডেলিভারি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে উল্লেখঅর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি দক্ষ ডেলিভারি সিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি সরকারের সহায়তা কার্যক্রমের তদারকি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপচয় ও দুর্নীতি কমানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।তিনি জানান, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর এই সম্মিলিত অংশীদারত্বকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত রাখতে চায় সরকার।সাধারণ মানুষের যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে প্রকৃত অর্থে সহায়তা সম্পন্ন হয় না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওর অংশীদারত্ব: অর্থমন্ত্রী

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক হওয়ায় শর্তসাপেক্ষে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি / মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে হাসপাতালটিকে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।আদেশে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাখিল করা আপিল ও এর বিস্তারিত বিবরণ পর্যালোচনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সরেজমিনে হাসপাতাল পরিদর্শনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত শেষে কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন সন্তোষজনক হওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।তবে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনায় কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা। পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ডিউটি চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।আদেশে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের কোনো শর্ত ভঙ্গ করলে সরকার আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশটি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালককে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছেও আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।এর আগে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ওই ঘটনার পর হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আপিল করলে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর শর্তসাপেক্ষে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয় সরকার।

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

বিদেশে রপ্তানির দাবি / হিমাগারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার পেয়ারা

বর্ষা মৌসুমে জমে উঠেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ ও ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী এলাকার ভাসমান পেয়ারা বাজার। ডিঙি ও পানসি নৌকায় সাজানো পেয়ারা নিয়ে জমে উঠেছে বেচাকেনা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে পেয়ারা কিনছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় পেয়ারা বাগান দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকেরা।তবে বাজার জমজমাট হলেও চাষিদের মুখে স্বস্তি নেই। ন্যায্য দাম না পাওয়া, সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের অভাবে প্রতিবছর লোকসান গুনছেন তাঁরা। এর সঙ্গে ২০২০ সালে পেয়ারা রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ করতে পারছেন না চাষিরা। তাঁদের দাবি, আবার বিদেশে পেয়ারা রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা হোক।কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পেয়ারা সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ফল নষ্ট হয়। চাষি বিনয় হালদার বলেন, ‘হিমাগারের অভাবে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার পেয়ারা নষ্ট হয়।’কুড়িয়ানার কৃষক কালীদাশ মণ্ডলের চারটি পেয়ারা বাগান রয়েছে। তিনি বলেন, মৌসুমে তাঁর বাগানগুলো থেকে প্রায় তিন টন পেয়ারা উৎপাদিত হয়। বর্তমানে প্রতি মণ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে লাভ খুবই সীমিত।ভাসমান বাজারের আড়তদার আলম-গফুর বলেন, তাঁরা মণপ্রতি প্রায় ৫০০ টাকা দরে পেয়ারা কিনে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি করেন। পরিবহন ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে লাভ খুব বেশি থাকে না।প্রায় ৪ হাজার চাষিবরিশাল বিভাগের নেছারাবাদ উপজেলার সীমান্তবর্তী বানারিপাড়া এবং ঝালকাঠি সদর উপজেলার কুড়িয়ানা, আটঘর, গণপতিকাঠি, মাদ্রা, আতা, জামুয়া, জৌসার, মুসলিমপাড়া, শশীদ, আন্দাকুল, আদাবাড়ী, আদমকাঠি, জিন্দাকাঠি, কাঠুরাকাঠি, ধলহার, ডুমুরিয়া, ভিমরুলী, শতদশকাঠি ও বাউকাঠিসহ প্রায় ২৪টি গ্রামে পেয়ারা চাষ হয়। এসব এলাকায় প্রায় চার হাজার চাষি পেয়ারা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।বরিশাল বিভাগীয় কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি উপজেলায় ২৩টি গ্রামে ৮৭৮ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ হাজার ২২০টি পেয়ারা বাগান রয়েছে। বাগানের পরিচর্যা থেকে শুরু করে ফল সংগ্রহ ও বিক্রির সঙ্গে প্রায় ১৬ হাজার শ্রমজীবী মানুষ যুক্ত।চাষিদের অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস পেয়ারা চাষ। তবে বাগানের পরিচর্যা, শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সহজ শর্তে ব্যাংকঋণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।একসময় ১৭ দেশে রপ্তানি হতোস্থানীয় কৃষি ও ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে ব্যাপক ফলনের পর বাংলাদেশের পেয়ারা বিদেশে রপ্তানি শুরু হয়। উন্নতমানের জেলি তৈরির কাঁচামাল হিসেবেও পেয়ারা রপ্তানি করা হতো।একসময় কলম্বিয়া, পর্তুগাল, নেপাল, পাকিস্তান, চীন, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালদ্বীপ, বুলগেরিয়া, ইরাক, ইরান ও ইংল্যান্ডসহ ১৭টি দেশে পেয়ারা রপ্তানি হতো। এতে বছরে প্রায় ৮০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হতো বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।তবে পচনশীল ফল সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকা, কৃষি বিভাগের অসহযোগিতা এবং কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবসহ বিভিন্ন কারণে ২০২০ সালে পেয়ারা রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।পর্যটনে নতুন সম্ভাবনানেছারাবাদ ও ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী খালের মোহনায় গড়ে ওঠা ভাসমান পেয়ারা বাজারের ঐতিহ্য প্রায় ২০০ বছরের। বর্ষা মৌসুমে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই এলাকায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ডিঙি ও পানসি নৌকায় ভাসমান বাজার ঘুরে দেখা এবং পেয়ারা বাগান ভ্রমণ পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।স্থানীয়রা মনে করেন, পেয়ারা চাষ, বাজার ও পর্যটনকে সমন্বিতভাবে গড়ে তোলা গেলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।নেছারাবাদ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমান বলেন, পেয়ারা সংরক্ষণের জন্য সরকারি উদ্যোগে হিমাগার নির্মাণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হবে।

পাকিস্তান খাদ্যপণ্য, বাংলাদেশ দিবে পাট

চাল, ডাল, সার ও ভোজ্যতেল রপ্তানিতে আগ্রহী পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির আগ্রহ, যৌথ কর্মপরিকল্পনা জোরদারের সিদ্ধান্ত / পাকিস্তান খাদ্যপণ্য, বাংলাদেশ দিবে পাট

অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা

রাজস্ব ঘাটতি ও বিদেশি ঋণপ্রবাহ কম থাকায় ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই নেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। / অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা

হামলা স্থগিতের খবরে তেলের দামে বড় পতন, নজর হরমুজ প্রণালিতে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কিছুটা কমার ইঙ্গিতে একদিনে ৫ শতাংশের বেশি কমেছে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই / হামলা স্থগিতের খবরে তেলের দামে বড় পতন, নজর হরমুজ প্রণালিতে

ব্যাংক শাখার ভাড়া চুক্তি কমপক্ষে ৬ বছর, ৩ বছরে ভাড়া বাড়ানো যাবে না

শাখা খোলার অন্তত অর্ধেক হতে হবে পল্লি এলাকায় / ব্যাংক শাখার ভাড়া চুক্তি কমপক্ষে ৬ বছর, ৩ বছরে ভাড়া বাড়ানো যাবে না

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচন করার বাধা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

বেসরকারি স্কুলের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পারওয়ার।মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান। ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার এই বিধান সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। বিধানটি বাতিল না হলে নির্বাচন কমিশন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।গোলাম পারওয়ার বলেন, বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক চাকরিতে রয়েছেন।এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যকে পদায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওই কর্মকর্তাকে অপসারণের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনার শুরুতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে তাঁরা বেরিয়ে যান।ওয়াকআউট করা দুই সদস্য হলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম ও আব্দুল বাতেন। এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকও বর্জন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপন করা হয়। বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যথাক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।‘ওয়াকআউট সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না’রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। আলোচনা শুরুর আগে তাঁরা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন।কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনাসংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও সভায় জানানো হয়।বৈঠকে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ বাগেরহাটের মোংলার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ‘ব্লেম গেম’ পরিহার করা উচিত বলে মত দেন কমিটির সদস্যরা।সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্তবৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল ও আবদুল বাতেন অংশ নেন। কয়েক মিনিট বৈঠক চলার পর গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাঁরা জানান, জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে তাঁরা ওয়াকআউট করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় কমিটির বৈঠকও বর্জন করবেন। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং শিরীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা ও সমাজকল্যাণে পাংশা–কালুখালী সমিতির উদ্যোগ, দেওয়া হলো বৃত্তি ও সম্মাননা

শিক্ষা সহায়তা ও সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে / শিক্ষা ও সমাজকল্যাণে পাংশা–কালুখালী সমিতির উদ্যোগ, দেওয়া হলো বৃত্তি ও সম্মাননা

রাজধানীতে পাংশা–কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে আগারগাঁওয়ের এলজিইডি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাংশা–কালুখালী উপজেলা সমিতি, ঢাকার সভাপতি ও অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম। এতে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হেনা, সমিতির উপদেষ্টা নিলুফার রফিক, মো. আসাদুজ্জামান, কে. এম. আকতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে ছাত্রবৃত্তি তুলে দেওয়া হয়।আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা, শিক্ষার প্রসার এবং সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

বিদেশে রপ্তানির দাবি / হিমাগারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার পেয়ারা

হিমাগারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার পেয়ারা

চাল, ডাল, সার ও ভোজ্যতেল রপ্তানিতে আগ্রহী পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির আগ্রহ, যৌথ কর্মপরিকল্পনা জোরদারের সিদ্ধান্ত / পাকিস্তান খাদ্যপণ্য, বাংলাদেশ দিবে পাট

পাকিস্তান খাদ্যপণ্য, বাংলাদেশ দিবে পাট

রাজস্ব ঘাটতি ও বিদেশি ঋণপ্রবাহ কম থাকায় ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই নেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। / অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা

অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কিছুটা কমার ইঙ্গিতে একদিনে ৫ শতাংশের বেশি কমেছে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই / হামলা স্থগিতের খবরে তেলের দামে বড় পতন, নজর হরমুজ প্রণালিতে

হামলা স্থগিতের খবরে তেলের দামে বড় পতন, নজর হরমুজ প্রণালিতে
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচন করার বাধা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচন করার বাধা প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

বেসরকারি স্কুলের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পারওয়ার।মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান। ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার এই বিধান সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। বিধানটি বাতিল না হলে নির্বাচন কমিশন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।গোলাম পারওয়ার বলেন, বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক চাকরিতে রয়েছেন।এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যকে পদায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওই কর্মকর্তাকে অপসারণের বিষয়ে সরকারকে অবহিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একক মালিকানা কারও নয়: ববি হাজ্জাজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একক মালিকানা কারও নয়: ববি হাজ্জাজ

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তাঁর মতে, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও মতের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও অংশগ্রহণের ফল এই গণঅভ্যুত্থান। তাই কোনো পক্ষকে এর একক মালিকানা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।সোমবার ঢাকার কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জুলাইয়ের কণ্ঠস্বর: তারুণ্য, প্রত্যয়, প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ববি হাজ্জাজ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেবল একটি নির্দিষ্ট আন্দোলন হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য বোঝা যাবে না। চাকরির দাবি, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠা কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদের মতো বিভিন্ন দাবি নিয়ে মানুষ রাজপথে নেমেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এসব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়।তিনি বলেন, সেই আকাঙ্ক্ষা ছিল এমন একটি রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের জন্য এবং নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে।‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো একই পরিস্থিতি যেন না হয়’মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক অর্জনের চেতনা একসময় রাজনৈতিক মালিকানার মধ্যে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও যেন একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয় না। সরকার গঠনের পর সেটিকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ।জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছেন কি না, তা নজরে রাখার পাশাপাশি তাঁদের কাছে প্রশ্ন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা স্বাভাবিক। তবে দল বা ব্যক্তির স্বার্থের ঊর্ধ্বে দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 দেশের সংকট মোকাবিলা করে এগোতে হবে: গোলাম পরওয়ার

দেশের সংকট মোকাবিলা করে এগোতে হবে: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সংগঠন পরিচালনা ও দেশের সংকট মোকাবিলায় জামায়াতকে নানা ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগোতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীলদের গঠনমূলক ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের তিন দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নীলফামারীর সৈয়দপুরে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এ শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত হয়।গোলাম পরওয়ার বলেন, দায়িত্বশীলদের সর্বাগ্রে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় নিজেদের সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি আদর্শের চর্চা ও আচরণের মাধ্যমে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।শিক্ষাশিবিরে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম।১১ দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বয়ের আহ্বান১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান সরকার ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। এর প্রতিবাদ এবং জনগণের দাবি বাস্তবায়নে ১১ দল রোডমার্চসহ নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।এসব কর্মসূচি সফল করতে স্থানীয় পর্যায়ে ১১ দলের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, কর্মসূচিগুলো পালনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বানজামায়াতের এই নেতা বলেন, মানুষের সমস্যা উপলব্ধি করে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। মতপার্থক্য মোকাবিলায় সহনশীলতা ও হিকমত অবলম্বন করতে হবে।সংগঠনের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারের সুরক্ষা ও পরিবার গঠনের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নেতৃবৃন্দকে নিয়মিত আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে নিজেদের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।ধৈর্য ও সতর্কতার সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, দায়িত্বশীলদের নিজেদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখতে হবে।শিক্ষাশিবিরে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সহকারী অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল এমপি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক কেন্দ্রীয় শিবির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন।তিন দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরটি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও অঞ্চল টিমের সদস্য মাওলানা আব্দুল হাকিম।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেবে জামায়াত, ১১ দলের বৈঠক রোববার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেবে জামায়াত, ১১ দলের বৈঠক রোববার

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রোববার ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে।শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।পরে দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ লক্ষ্যে রোববার ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। ওই বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায়বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। জামায়াতের নেতাদের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ কয়েকজন নেতার নামও বিবেচনায় রয়েছে।তবে প্রার্থী হিসেবে কোনো সংসদ সদস্যকে না রাখার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে। ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে জামায়াতের প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এ ছাড়া জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার এবং ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়।রোববার মিন্টো রোডে বৈঠক১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে আলোচনা করে বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনরাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত ২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনার শুরুতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে তাঁরা বেরিয়ে যান।ওয়াকআউট করা দুই সদস্য হলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম ও আব্দুল বাতেন। এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকও বর্জন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপন করা হয়। বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যথাক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।‘ওয়াকআউট সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না’রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। আলোচনা শুরুর আগে তাঁরা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন।কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনাসংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও সভায় জানানো হয়।বৈঠকে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ বাগেরহাটের মোংলার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ‘ব্লেম গেম’ পরিহার করা উচিত বলে মত দেন কমিটির সদস্যরা।সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্তবৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল ও আবদুল বাতেন অংশ নেন। কয়েক মিনিট বৈঠক চলার পর গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাঁরা জানান, জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে তাঁরা ওয়াকআউট করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় কমিটির বৈঠকও বর্জন করবেন। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং শিরীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের বৈঠক থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনার শুরুতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে তাঁরা বেরিয়ে যান।ওয়াকআউট করা দুই সদস্য হলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম ও আব্দুল বাতেন। এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ না নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকও বর্জন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল উত্থাপন করা হয়। বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যথাক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।‘ওয়াকআউট সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না’রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে যোগ দেন বিরোধী দলের দুই সদস্য। আলোচনা শুরুর আগে তাঁরা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেন।কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে বলেন, কমিটির সদস্যদের কোনো সংশোধনী বা মতামত থাকলে তা সভায় উপস্থাপন, পরামর্শ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিরোধিতা করার সুযোগ রয়েছে। এটিই কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব। তবে সভা থেকে ওয়াকআউট করা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনাসংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। একই সময়ে মব তৈরির চেষ্টা চললেও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেনি বলেও সভায় জানানো হয়।বৈঠকে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ বাগেরহাটের মোংলার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের অপহরণের দায় সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আলোচনা হয়। এ ধরনের দোষারোপের রাজনীতি বা ‘ব্লেম গেম’ পরিহার করা উচিত বলে মত দেন কমিটির সদস্যরা।সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্তবৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল ও আবদুল বাতেন অংশ নেন। কয়েক মিনিট বৈঠক চলার পর গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাঁরা জানান, জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে তাঁরা ওয়াকআউট করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় কমিটির বৈঠকও বর্জন করবেন। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এবং শিরীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক হওয়ায় শর্তসাপেক্ষে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি / মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে হাসপাতালটিকে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।আদেশে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাখিল করা আপিল ও এর বিস্তারিত বিবরণ পর্যালোচনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সরেজমিনে হাসপাতাল পরিদর্শনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত শেষে কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন সন্তোষজনক হওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।তবে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনায় কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, দ্য মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা। পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ডিউটি চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।আদেশে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের কোনো শর্ত ভঙ্গ করলে সরকার আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশটি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালককে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছেও আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।এর আগে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ওই ঘটনার পর হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আপিল করলে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর শর্তসাপেক্ষে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয় সরকার।