বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে খাদ্যপণ্য বাণিজ্য আরও সহজ ও কার্যকর করতে নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে দুই দেশ। এ লক্ষ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এটি বাস্তবায়িত হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন–এর
প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে,
পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অসিম
আজিম
সিদ্দিকির নেতৃত্বে একটি
প্রতিনিধিদল সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর
করেছে।
সফরের
সময়
প্রতিনিধিদলটি শিল্প
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে
বৈঠক
করে।
বৈঠকে
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল
মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই
দেশের
মধ্যে
বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক
নিয়ে
আলোচনা
হয়।
পাকিস্তানের পক্ষ
থেকে
জানানো
হয়,
তারা
বাংলাদেশে চাল,
মসুর
ডাল,
ছোলা,
সার
ও
ভোজ্যতেল রপ্তানিতে আগ্রহী। একই
সঙ্গে
বাংলাদেশ থেকে
পাট
ও
পাটজাত
পণ্য
আমদানির আগ্রহও
প্রকাশ
করা
হয়।
পাকিস্তানের বাজারে
এসব
পণ্যের
চাহিদা
রয়েছে
বলে
বৈঠকে
উল্লেখ
করা
হয়।
আলোচনায় আন্তর্জাতিক বাজার
থেকে
বাংলাদেশ যাতে
আরও
প্রতিযোগিতামূলক দামে
প্রয়োজনীয় খাদ্য
ও
অন্যান্য পণ্য
সংগ্রহ
করতে
পারে,
সে
বিষয়ে
সহযোগিতার প্রস্তাবও দেয়
পাকিস্তান।
দুই দেশের
মধ্যে
বিদ্যমান বাংলাদেশ–পাকিস্তান জয়েন্ট
ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম আরও
সক্রিয়
করার
সিদ্ধান্তও নেওয়া
হয়েছে।
এর
অংশ
হিসেবে
ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল বিনিময়
বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি
ও
শিল্প
খাতে
যৌথ
উদ্যোগে কাজ
করার
বিষয়ে
আলোচনা
হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সমঝোতা
স্মারক
কার্যকর হলে
দুই
দেশের
মধ্যে
বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা কমানো,
সরকারি
পর্যায়ে সমন্বয়
জোরদার
করা
এবং
ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও
সহজ
করার
সুযোগ
তৈরি
হবে।
এ বিষয়ে অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মত, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন গতি পেতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্রও উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে খাদ্যপণ্য বাণিজ্য আরও সহজ ও কার্যকর করতে নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে দুই দেশ। এ লক্ষ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এটি বাস্তবায়িত হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন–এর
প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে,
পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অসিম
আজিম
সিদ্দিকির নেতৃত্বে একটি
প্রতিনিধিদল সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর
করেছে।
সফরের
সময়
প্রতিনিধিদলটি শিল্প
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে
বৈঠক
করে।
বৈঠকে
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল
মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই
দেশের
মধ্যে
বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক
নিয়ে
আলোচনা
হয়।
পাকিস্তানের পক্ষ
থেকে
জানানো
হয়,
তারা
বাংলাদেশে চাল,
মসুর
ডাল,
ছোলা,
সার
ও
ভোজ্যতেল রপ্তানিতে আগ্রহী। একই
সঙ্গে
বাংলাদেশ থেকে
পাট
ও
পাটজাত
পণ্য
আমদানির আগ্রহও
প্রকাশ
করা
হয়।
পাকিস্তানের বাজারে
এসব
পণ্যের
চাহিদা
রয়েছে
বলে
বৈঠকে
উল্লেখ
করা
হয়।
আলোচনায় আন্তর্জাতিক বাজার
থেকে
বাংলাদেশ যাতে
আরও
প্রতিযোগিতামূলক দামে
প্রয়োজনীয় খাদ্য
ও
অন্যান্য পণ্য
সংগ্রহ
করতে
পারে,
সে
বিষয়ে
সহযোগিতার প্রস্তাবও দেয়
পাকিস্তান।
দুই দেশের
মধ্যে
বিদ্যমান বাংলাদেশ–পাকিস্তান জয়েন্ট
ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম আরও
সক্রিয়
করার
সিদ্ধান্তও নেওয়া
হয়েছে।
এর
অংশ
হিসেবে
ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল বিনিময়
বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি
ও
শিল্প
খাতে
যৌথ
উদ্যোগে কাজ
করার
বিষয়ে
আলোচনা
হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সমঝোতা
স্মারক
কার্যকর হলে
দুই
দেশের
মধ্যে
বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা কমানো,
সরকারি
পর্যায়ে সমন্বয়
জোরদার
করা
এবং
ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও
সহজ
করার
সুযোগ
তৈরি
হবে।
এ বিষয়ে অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মত, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন গতি পেতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্রও উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন