মঙ্গলবার জারি করা ‘ইন্টারনাল
কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (আইসিএমএস) নির্দেশনার মাধ্যমে ২০১৬ সালের অভ্যন্তরীণ
নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালনসংক্রান্ত নির্দেশনা
বাতিল করা হয়।
নতুন ব্যবস্থায় হেড
অব ইন্টারনাল অডিট ও হেড
অব কমপ্লায়েন্স আলাদা ব্যক্তি হবেন এবং তাঁদের
পদমর্যাদা সমান থাকবে। অভ্যন্তরীণ
নিরীক্ষা বিভাগের প্রধান সরাসরি পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির কাছে
প্রতিবেদন দেবেন। ফলে ব্যবস্থাপনার প্রভাবমুক্ত
হয়ে নিরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছে
বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো
নিরীক্ষায় পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের
অনিয়ম ধরা পড়লে তা
গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানাতে হবে। এ জন্য
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনার অনুমতির
প্রয়োজন হবে না।
এ ছাড়া ব্যাংকগুলোকে
হুইসেলব্লোয়ারদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য হটলাইন, ই-মেইল, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা লিখিত অভিযোগের
ব্যবস্থা রাখতে হবে। অভিযোগকারীর পরিচয়
গোপন রাখতে হবে। পর্যাপ্ত তথ্য
থাকলে বেনামি অভিযোগও তদন্ত করতে হবে। অভিযোগকারীর
বিরুদ্ধে হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা
নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে বাংলাদেশ
ব্যাংক।
নতুন নির্দেশনায় ফরেনসিক,
কনকারেন্ট ও ভার্চুয়াল অডিট
চালুর কথাও বলা হয়েছে।
পাশাপাশি অর্থপাচার, ঋণ ও বাজার
ঝুঁকি, সাইবার নিরাপত্তা এবং জালিয়াতি শনাক্তে
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে
প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পরিবর্তন সম্পন্ন করে নতুন নির্দেশনা
বাস্তবায়ন করতে হবে।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার জারি করা ‘ইন্টারনাল
কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (আইসিএমএস) নির্দেশনার মাধ্যমে ২০১৬ সালের অভ্যন্তরীণ
নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালনসংক্রান্ত নির্দেশনা
বাতিল করা হয়।
নতুন ব্যবস্থায় হেড
অব ইন্টারনাল অডিট ও হেড
অব কমপ্লায়েন্স আলাদা ব্যক্তি হবেন এবং তাঁদের
পদমর্যাদা সমান থাকবে। অভ্যন্তরীণ
নিরীক্ষা বিভাগের প্রধান সরাসরি পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির কাছে
প্রতিবেদন দেবেন। ফলে ব্যবস্থাপনার প্রভাবমুক্ত
হয়ে নিরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছে
বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো
নিরীক্ষায় পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের
অনিয়ম ধরা পড়লে তা
গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানাতে হবে। এ জন্য
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনার অনুমতির
প্রয়োজন হবে না।
এ ছাড়া ব্যাংকগুলোকে
হুইসেলব্লোয়ারদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য হটলাইন, ই-মেইল, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা লিখিত অভিযোগের
ব্যবস্থা রাখতে হবে। অভিযোগকারীর পরিচয়
গোপন রাখতে হবে। পর্যাপ্ত তথ্য
থাকলে বেনামি অভিযোগও তদন্ত করতে হবে। অভিযোগকারীর
বিরুদ্ধে হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা
নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে বাংলাদেশ
ব্যাংক।
নতুন নির্দেশনায় ফরেনসিক,
কনকারেন্ট ও ভার্চুয়াল অডিট
চালুর কথাও বলা হয়েছে।
পাশাপাশি অর্থপাচার, ঋণ ও বাজার
ঝুঁকি, সাইবার নিরাপত্তা এবং জালিয়াতি শনাক্তে
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে
প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পরিবর্তন সম্পন্ন করে নতুন নির্দেশনা
বাস্তবায়ন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন