নতুন আইনটি
নিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক
তৈরি হয়েছে। সরকারের দাবি, শিশুদের স্বাধীনতা ও অধিকার সুরক্ষা
এবং লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করাই এই আইনের
উদ্দেশ্য। তবে মুসলিম সংগঠন
ও বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, আইনটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয়
গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে
এবং এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার
প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
রক্ষণশীল পিপলস
পার্টি (ওভিপি)-এর ইন্টিগ্রেশনমন্ত্রী ক্লডিয়া বাউয়ার
হিজাবকে ‘নিপীড়নের প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, অল্প
বয়স থেকেই মেয়েদের নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যম হিসেবে
হিজাব ব্যবহার করা হতে পারে।
ওভিপি, সোশ্যাল
ডেমোক্র্যাটস (এসপিও) ও উদারপন্থী নেওসের
সমন্বয়ে গঠিত জোট সরকার
আইনটি করেছে। সরকারের ভাষ্য, এটি ‘লিঙ্গসমতার প্রতি
স্পষ্ট অঙ্গীকার’ এবং এর মাধ্যমে
অল্পবয়সী মেয়েদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা
করা হবে।
তবে অস্ট্রিয়ার
সরকারি ইসলামিক সংগঠন ইসলামি ধর্মীয় সম্প্রদায় (আইজিজিও) এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র
বিরোধিতা করেছে।
সংগঠনটির প্রতিনিধি
কার্লা আমিনা বাগহাজাতি বিবিসিকে বলেন, মুসলিম মেয়েদের ওপর নিষেধাজ্ঞা মৌলিক
ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারে অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ। এর প্রভাবও মুসলিম
মেয়েদের ওপর অসমভাবে পড়বে।
তাঁর মতে,
শিশুদের সুরক্ষার পরিবর্তে আইনটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয়
চর্চাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এতে যেসব শিশুকে
সহায়তা করার কথা বলা
হচ্ছে, তারাই সমাজ ও শিক্ষা
ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার
ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
আইজিজিও জানিয়েছে,
কোনও মেয়ে বা তার
পরিবার মনে করলে নতুন
আইনের মাধ্যমে তাদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তারা আদালতে আইনি
চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে। প্রয়োজনে সাংবিধানিক আদালত পর্যন্ত মামলায় সহায়তা করবে সংগঠনটি।
অস্ট্রিয়ায় স্কুলে
মুসলিম মেয়েদের মাথা ঢাকার পোশাক
নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর
আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিজাব নিষিদ্ধ করে আইন করা
হয়েছিল। তবে ২০২০ সালে
দেশটির সাংবিধানিক আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল
করেন।
আদালতের যুক্তি
ছিল, ওই নিষেধাজ্ঞা অস্ট্রিয়ার
ধর্মীয় নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে নতুন আইনটি
আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে কী
সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেও নজর
রয়েছে।
নতুন আইন
কার্যকর করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। স্কুলে কোনও
শিক্ষার্থীকে হিজাব পরা অবস্থায় দেখা
গেলে শিক্ষককে প্রথমে ওই শিক্ষার্থী ও
তার আইনগত অভিভাবকের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করতে হবে।
এরপরও নিষেধাজ্ঞা
অমান্য করা হলে বিষয়টি
শিশু সেবা বিভাগের কাছে
জানাতে হবে। শেষ পর্যন্ত
অভিভাবকদের সর্বোচ্চ ৮০০ ইউরো জরিমানা
করা হতে পারে।
এই দায়িত্ব
নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। তাঁদের একাংশের আশঙ্কা, শিক্ষাদানের পাশাপাশি পোশাকসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অতিরিক্ত দায়িত্ব
তাঁদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
গ্রিন পার্টির
নেতা সিগি মাউরার শিক্ষা
মন্ত্রী ক্রিস্টফ ভিডারকিয়ারের সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি
নতুন করে সংঘাত তৈরি
করছেন এবং সেই সংঘাতের
দায় শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন।
তাঁর অভিযোগ, শিক্ষকরা এমনিতেই প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন; এর মধ্যে তাঁদের
ওপর এমন দায়িত্ব চাপিয়ে
দেওয়া হচ্ছে, যা অনেকটা পুলিশ
কর্মকর্তার ভূমিকার মতো।
অস্ট্রিয়ার বিরোধী
ডানপন্থী ফ্রিডম পার্টি (এফপিও) বর্তমান নিষেধাজ্ঞাকে যথেষ্ট কঠোর মনে করছে
না। দলটি শিক্ষার্থী ও
শিক্ষক—উভয়ের ক্ষেত্রেই হিজাব ও মুখঢাকা পোশাকের
ওপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে।
এফপিওর রিকার্ডা
বার্গার বলেছেন, অস্ট্রিয়ায় ‘রাজনৈতিক ইসলামের কোনও স্থান নেই’,
বিশেষ করে স্কুলে এর
কোনও জায়গা থাকা উচিত নয়।
ওভিপি নেতা
ও অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রিশ্চিয়ান স্টকারও ‘রাজনৈতিক ইসলাম’-এর ওপর সাংবিধানিক
নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দিয়েছেন। সরকারি
সম্প্রচারমাধ্যম ওআরএফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি
বলেন, তিনি ‘ইসলামিক রাষ্ট্রে বসবাস করতে চান না’।
ইউরোপের বিভিন্ন
দেশেই মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে।
ফ্রান্সে দুই দশকেরও বেশি
সময় ধরে স্কুলে হিজাব,
পাগড়ি ও কিপ্পার মতো
দৃশ্যমান ধর্মীয় প্রতীক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা
রয়েছে।
তবে অস্ট্রিয়ার
নতুন আইনের সঙ্গে ফ্রান্সের আইনের পার্থক্য রয়েছে। ফ্রান্সের আইন সব ধরনের
দৃশ্যমান ধর্মীয় প্রতীকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও অস্ট্রিয়ার নতুন
আইনটি বিশেষভাবে মুসলিম মেয়েদের মাথা ঢাকার পোশাককে
লক্ষ্য করে করা হয়েছে।
অস্ট্রিয়াসহ ফ্রান্স,
বেলজিয়াম ও ডেনমার্কের মতো
ইউরোপের কয়েকটি দেশে জনসমক্ষে পুরো
মুখ ঢেকে রাখে এমন
নিকাব বা বোরকার ওপরও
নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আইজিজিওর মতে,
ইউরোপজুড়ে এমন একটি প্রবণতা
তৈরি হচ্ছে, যেখানে জটিল সামাজিক সমস্যার
সমাধানের পরিবর্তে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে প্রতীকী পদক্ষেপ
নেওয়া হচ্ছে।
বাগহাজাতির ভাষ্য,
এ ধরনের উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক মনোযোগ তৈরি করতে পারে,
কিন্তু সমস্যার মূল কারণ সমাধানে
খুব কমই কার্যকর হয়।
নতুন আইন
কার্যকর হওয়ার পর এখন এর
বাস্তব প্রয়োগ, মুসলিম পরিবারগুলোর প্রতিক্রিয়া এবং সম্ভাব্য সাংবিধানিক
চ্যালেঞ্জের দিকে নজর রয়েছে।
একই সঙ্গে স্কুলে ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিশুদের অধিকার ও লিঙ্গসমতার মধ্যে
ভারসাম্য কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সেই
প্রশ্নও অস্ট্রিয়ার রাজনৈতিক বিতর্কে আরও জোরালো হতে
পারে।
সূত্র:
বিবিসি

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন আইনটি
নিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক
তৈরি হয়েছে। সরকারের দাবি, শিশুদের স্বাধীনতা ও অধিকার সুরক্ষা
এবং লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করাই এই আইনের
উদ্দেশ্য। তবে মুসলিম সংগঠন
ও বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, আইনটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয়
গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে
এবং এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার
প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
রক্ষণশীল পিপলস
পার্টি (ওভিপি)-এর ইন্টিগ্রেশনমন্ত্রী ক্লডিয়া বাউয়ার
হিজাবকে ‘নিপীড়নের প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, অল্প
বয়স থেকেই মেয়েদের নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যম হিসেবে
হিজাব ব্যবহার করা হতে পারে।
ওভিপি, সোশ্যাল
ডেমোক্র্যাটস (এসপিও) ও উদারপন্থী নেওসের
সমন্বয়ে গঠিত জোট সরকার
আইনটি করেছে। সরকারের ভাষ্য, এটি ‘লিঙ্গসমতার প্রতি
স্পষ্ট অঙ্গীকার’ এবং এর মাধ্যমে
অল্পবয়সী মেয়েদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা
করা হবে।
তবে অস্ট্রিয়ার
সরকারি ইসলামিক সংগঠন ইসলামি ধর্মীয় সম্প্রদায় (আইজিজিও) এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র
বিরোধিতা করেছে।
সংগঠনটির প্রতিনিধি
কার্লা আমিনা বাগহাজাতি বিবিসিকে বলেন, মুসলিম মেয়েদের ওপর নিষেধাজ্ঞা মৌলিক
ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারে অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ। এর প্রভাবও মুসলিম
মেয়েদের ওপর অসমভাবে পড়বে।
তাঁর মতে,
শিশুদের সুরক্ষার পরিবর্তে আইনটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয়
চর্চাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এতে যেসব শিশুকে
সহায়তা করার কথা বলা
হচ্ছে, তারাই সমাজ ও শিক্ষা
ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার
ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
আইজিজিও জানিয়েছে,
কোনও মেয়ে বা তার
পরিবার মনে করলে নতুন
আইনের মাধ্যমে তাদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তারা আদালতে আইনি
চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে। প্রয়োজনে সাংবিধানিক আদালত পর্যন্ত মামলায় সহায়তা করবে সংগঠনটি।
অস্ট্রিয়ায় স্কুলে
মুসলিম মেয়েদের মাথা ঢাকার পোশাক
নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর
আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিজাব নিষিদ্ধ করে আইন করা
হয়েছিল। তবে ২০২০ সালে
দেশটির সাংবিধানিক আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল
করেন।
আদালতের যুক্তি
ছিল, ওই নিষেধাজ্ঞা অস্ট্রিয়ার
ধর্মীয় নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে নতুন আইনটি
আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে কী
সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেও নজর
রয়েছে।
নতুন আইন
কার্যকর করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। স্কুলে কোনও
শিক্ষার্থীকে হিজাব পরা অবস্থায় দেখা
গেলে শিক্ষককে প্রথমে ওই শিক্ষার্থী ও
তার আইনগত অভিভাবকের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করতে হবে।
এরপরও নিষেধাজ্ঞা
অমান্য করা হলে বিষয়টি
শিশু সেবা বিভাগের কাছে
জানাতে হবে। শেষ পর্যন্ত
অভিভাবকদের সর্বোচ্চ ৮০০ ইউরো জরিমানা
করা হতে পারে।
এই দায়িত্ব
নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। তাঁদের একাংশের আশঙ্কা, শিক্ষাদানের পাশাপাশি পোশাকসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অতিরিক্ত দায়িত্ব
তাঁদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
গ্রিন পার্টির
নেতা সিগি মাউরার শিক্ষা
মন্ত্রী ক্রিস্টফ ভিডারকিয়ারের সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি
নতুন করে সংঘাত তৈরি
করছেন এবং সেই সংঘাতের
দায় শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন।
তাঁর অভিযোগ, শিক্ষকরা এমনিতেই প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন; এর মধ্যে তাঁদের
ওপর এমন দায়িত্ব চাপিয়ে
দেওয়া হচ্ছে, যা অনেকটা পুলিশ
কর্মকর্তার ভূমিকার মতো।
অস্ট্রিয়ার বিরোধী
ডানপন্থী ফ্রিডম পার্টি (এফপিও) বর্তমান নিষেধাজ্ঞাকে যথেষ্ট কঠোর মনে করছে
না। দলটি শিক্ষার্থী ও
শিক্ষক—উভয়ের ক্ষেত্রেই হিজাব ও মুখঢাকা পোশাকের
ওপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে।
এফপিওর রিকার্ডা
বার্গার বলেছেন, অস্ট্রিয়ায় ‘রাজনৈতিক ইসলামের কোনও স্থান নেই’,
বিশেষ করে স্কুলে এর
কোনও জায়গা থাকা উচিত নয়।
ওভিপি নেতা
ও অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রিশ্চিয়ান স্টকারও ‘রাজনৈতিক ইসলাম’-এর ওপর সাংবিধানিক
নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দিয়েছেন। সরকারি
সম্প্রচারমাধ্যম ওআরএফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি
বলেন, তিনি ‘ইসলামিক রাষ্ট্রে বসবাস করতে চান না’।
ইউরোপের বিভিন্ন
দেশেই মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে।
ফ্রান্সে দুই দশকেরও বেশি
সময় ধরে স্কুলে হিজাব,
পাগড়ি ও কিপ্পার মতো
দৃশ্যমান ধর্মীয় প্রতীক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা
রয়েছে।
তবে অস্ট্রিয়ার
নতুন আইনের সঙ্গে ফ্রান্সের আইনের পার্থক্য রয়েছে। ফ্রান্সের আইন সব ধরনের
দৃশ্যমান ধর্মীয় প্রতীকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও অস্ট্রিয়ার নতুন
আইনটি বিশেষভাবে মুসলিম মেয়েদের মাথা ঢাকার পোশাককে
লক্ষ্য করে করা হয়েছে।
অস্ট্রিয়াসহ ফ্রান্স,
বেলজিয়াম ও ডেনমার্কের মতো
ইউরোপের কয়েকটি দেশে জনসমক্ষে পুরো
মুখ ঢেকে রাখে এমন
নিকাব বা বোরকার ওপরও
নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আইজিজিওর মতে,
ইউরোপজুড়ে এমন একটি প্রবণতা
তৈরি হচ্ছে, যেখানে জটিল সামাজিক সমস্যার
সমাধানের পরিবর্তে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে প্রতীকী পদক্ষেপ
নেওয়া হচ্ছে।
বাগহাজাতির ভাষ্য,
এ ধরনের উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক মনোযোগ তৈরি করতে পারে,
কিন্তু সমস্যার মূল কারণ সমাধানে
খুব কমই কার্যকর হয়।
নতুন আইন
কার্যকর হওয়ার পর এখন এর
বাস্তব প্রয়োগ, মুসলিম পরিবারগুলোর প্রতিক্রিয়া এবং সম্ভাব্য সাংবিধানিক
চ্যালেঞ্জের দিকে নজর রয়েছে।
একই সঙ্গে স্কুলে ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিশুদের অধিকার ও লিঙ্গসমতার মধ্যে
ভারসাম্য কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সেই
প্রশ্নও অস্ট্রিয়ার রাজনৈতিক বিতর্কে আরও জোরালো হতে
পারে।
সূত্র:
বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন