ধ্রুবের
অভিযোগ, পুলিশ পরিচয় না দিয়ে সাদা
পোশাকের কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে ঢোকেন।
এ সময় তাঁর মাকে
ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে
তাঁরা সরাসরি তাঁর শোয়ার ঘরে
যান এবং তাঁকে তুলে
নিয়ে যান।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভে অংশ
নিতে জার্মানি থেকে ভারতে এসেছেন
ধ্রুব। তবে তাঁর ভারতীয়
নাগরিকত্ব এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে
অংশ নেওয়ার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এর জবাবে রোববার প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব বলেন, তিনি ভারতের নাগরিক
এবং যেকোনো প্রতিবাদ-আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অধিকার
তাঁর রয়েছে।
শনিবারের
ঘটনার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতির তুলনা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে ধ্রুব বলেন,
‘এত ভয় দেখাবেন না
যে ভয়ই শেষ হয়ে
যায়।’
যেভাবে
তুলে নেওয়ার অভিযোগ
ধ্রুবের
ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাতটার দিকে
তাঁর বাড়ির বাইরে কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাঁর
মা দরজা খুলে দেন।
এ সময় সাধারণ পোশাক
পরা কয়েকজন তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢোকেন
এবং সরাসরি ধ্রুবের শোয়ার ঘরে চলে যান।
ঘটনার
বর্ণনা দিয়ে ধ্রুব বলেন,
‘আমি ঘুমোচ্ছিলাম। ঘুম ভেঙে উঠে
কিছু বলা বা করারও
সুযোগ পাইনি। জুতো পরার সময়টুকুও
আমাকে দেওয়া হয়নি। এরপর আমাকে টানতে
টানতে বাড়ি থেকে নিয়ে
যাওয়া হয়েছে। এটা কোনো আটক
বা গ্রেপ্তারি নয়। যেভাবে আমাকে
নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটা অপহরণ ছাড়া
আর কিছু নয়।’
এ
সময় তাঁর হাতে-পায়ে
সামান্য আঘাত লাগে বলেও
দাবি করেন তিনি।
২২-২৩ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ
ধ্রুবের
অভিযোগ, তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছিল, সে
বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তাঁকে
এক থানা থেকে অন্য
থানায় নিয়ে যাওয়া হয়
এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে
রাখা হয়। এ সময়
বাড়িতে কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের সুযোগ
দেওয়া হয়নি বলেও দাবি
করেন তিনি।
ধ্রুব
বলেন, ‘আমার ফোনটাই কেড়ে
নেওয়া হয়েছিল। টানা ২২-২৩
ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল।
একে অপহরণ ছাড়া আর কী
বলব?’
মুক্তি
পাওয়ার পরও তাঁকে নজরদারিতে
রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন
এই ইউটিউবার। তাঁর দাবি, অন্তত
১৫ জন তাঁর ওপর
নজর রাখছেন, যাতে তিনি বাড়ি
থেকে বের হতে না
পারেন। কার্যত তাঁকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে
বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মোদি
সরকারকে
হুঁশিয়ারি
ভিডিওবার্তায়
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলার ও মুসোলিনির পরিণতির
কথা স্মরণ করিয়ে দেন ধ্রুব। এর
আগে শনিবার সোনম ওয়াংচুক হুঁশিয়ারি
দিয়েছিলেন, এক দিনের মধ্যে
ধ্রুব ও সিজেপির নেতাদের
মুক্তি দেওয়া না হলে তিনি
অনশনে বসবেন। ধ্রুব তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও
প্রকাশ করেন।
তবে ধ্রুব রাঠিকে তুলে নেওয়া, আটকে রাখা এবং নজরদারিতে রাখার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব না হওয়ায় সেগুলো ধ্রুবের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচ্য।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ধ্রুবের
অভিযোগ, পুলিশ পরিচয় না দিয়ে সাদা
পোশাকের কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে ঢোকেন।
এ সময় তাঁর মাকে
ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে
তাঁরা সরাসরি তাঁর শোয়ার ঘরে
যান এবং তাঁকে তুলে
নিয়ে যান।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভে অংশ
নিতে জার্মানি থেকে ভারতে এসেছেন
ধ্রুব। তবে তাঁর ভারতীয়
নাগরিকত্ব এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে
অংশ নেওয়ার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এর জবাবে রোববার প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব বলেন, তিনি ভারতের নাগরিক
এবং যেকোনো প্রতিবাদ-আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অধিকার
তাঁর রয়েছে।
শনিবারের
ঘটনার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতির তুলনা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে ধ্রুব বলেন,
‘এত ভয় দেখাবেন না
যে ভয়ই শেষ হয়ে
যায়।’
যেভাবে
তুলে নেওয়ার অভিযোগ
ধ্রুবের
ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাতটার দিকে
তাঁর বাড়ির বাইরে কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাঁর
মা দরজা খুলে দেন।
এ সময় সাধারণ পোশাক
পরা কয়েকজন তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢোকেন
এবং সরাসরি ধ্রুবের শোয়ার ঘরে চলে যান।
ঘটনার
বর্ণনা দিয়ে ধ্রুব বলেন,
‘আমি ঘুমোচ্ছিলাম। ঘুম ভেঙে উঠে
কিছু বলা বা করারও
সুযোগ পাইনি। জুতো পরার সময়টুকুও
আমাকে দেওয়া হয়নি। এরপর আমাকে টানতে
টানতে বাড়ি থেকে নিয়ে
যাওয়া হয়েছে। এটা কোনো আটক
বা গ্রেপ্তারি নয়। যেভাবে আমাকে
নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটা অপহরণ ছাড়া
আর কিছু নয়।’
এ
সময় তাঁর হাতে-পায়ে
সামান্য আঘাত লাগে বলেও
দাবি করেন তিনি।
২২-২৩ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ
ধ্রুবের
অভিযোগ, তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছিল, সে
বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তাঁকে
এক থানা থেকে অন্য
থানায় নিয়ে যাওয়া হয়
এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে
রাখা হয়। এ সময়
বাড়িতে কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের সুযোগ
দেওয়া হয়নি বলেও দাবি
করেন তিনি।
ধ্রুব
বলেন, ‘আমার ফোনটাই কেড়ে
নেওয়া হয়েছিল। টানা ২২-২৩
ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল।
একে অপহরণ ছাড়া আর কী
বলব?’
মুক্তি
পাওয়ার পরও তাঁকে নজরদারিতে
রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন
এই ইউটিউবার। তাঁর দাবি, অন্তত
১৫ জন তাঁর ওপর
নজর রাখছেন, যাতে তিনি বাড়ি
থেকে বের হতে না
পারেন। কার্যত তাঁকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে
বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মোদি
সরকারকে
হুঁশিয়ারি
ভিডিওবার্তায়
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলার ও মুসোলিনির পরিণতির
কথা স্মরণ করিয়ে দেন ধ্রুব। এর
আগে শনিবার সোনম ওয়াংচুক হুঁশিয়ারি
দিয়েছিলেন, এক দিনের মধ্যে
ধ্রুব ও সিজেপির নেতাদের
মুক্তি দেওয়া না হলে তিনি
অনশনে বসবেন। ধ্রুব তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও
প্রকাশ করেন।
তবে ধ্রুব রাঠিকে তুলে নেওয়া, আটকে রাখা এবং নজরদারিতে রাখার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব না হওয়ায় সেগুলো ধ্রুবের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচ্য।

আপনার মতামত লিখুন