ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে পৌঁছেছে। এখনো পাঁচটি জেলায় বন্যার প্রভাব অব্যাহত থাকায় প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
রাজ্য প্রশাসনের তথ্য
অনুযায়ী, সবচেয়ে
বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
শিবসাগর, চরাইদেও, জোরহাট,
গোলাঘাট ও
নগাঁও
জেলা।
এর
মধ্যে
চরাইদেও জেলায়
৭৭
হাজারের বেশি
এবং
শিবসাগরে ৬৩
হাজারের বেশি
মানুষ
বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সম্প্রতি শিবসাগর ও
চরাইদেও জেলায়
আরও
দুজনের
মৃত্যুর খবর
নিশ্চিত হওয়ায়
চলতি
বছরের
বন্যায়
মোট
প্রাণহানি ৮২
জনে
দাঁড়িয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিখৌ
ও
ধানসিরি নদীর
পানি
কয়েকটি
এলাকায়
এখনো
বিপৎসীমার ওপর
দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।
ফলে
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়
না
যাওয়ার
জন্য
বাসিন্দাদের সতর্ক
করা
হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য বিশেষ ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি বীমা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পরিশোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায়ে সাময়িক ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৫৪টি ত্রাণশিবিরে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে,
আসাম
রাজ্য
প্রশাসন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে পৌঁছেছে। এখনো পাঁচটি জেলায় বন্যার প্রভাব অব্যাহত থাকায় প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
রাজ্য প্রশাসনের তথ্য
অনুযায়ী, সবচেয়ে
বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
শিবসাগর, চরাইদেও, জোরহাট,
গোলাঘাট ও
নগাঁও
জেলা।
এর
মধ্যে
চরাইদেও জেলায়
৭৭
হাজারের বেশি
এবং
শিবসাগরে ৬৩
হাজারের বেশি
মানুষ
বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সম্প্রতি শিবসাগর ও
চরাইদেও জেলায়
আরও
দুজনের
মৃত্যুর খবর
নিশ্চিত হওয়ায়
চলতি
বছরের
বন্যায়
মোট
প্রাণহানি ৮২
জনে
দাঁড়িয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দিখৌ
ও
ধানসিরি নদীর
পানি
কয়েকটি
এলাকায়
এখনো
বিপৎসীমার ওপর
দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।
ফলে
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়
না
যাওয়ার
জন্য
বাসিন্দাদের সতর্ক
করা
হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য বিশেষ ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি বীমা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পরিশোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায়ে সাময়িক ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৫৪টি ত্রাণশিবিরে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে,
আসাম
রাজ্য
প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন