360 News
Post Ads 1
Post Ads 2

আন্তর্জাতিক

ইউরোপের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে প্রথমবার কক্ষপথে বাণিজ্যিক রকেট

ইউরোপের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে প্রথমবার কক্ষপথে বাণিজ্যিক রকেট
Post Ads 3
ছবি: সংগ্রহ

জার্মান স্টার্টআপ ইসার অ্যারোস্পেস শনিবার আর্কটিক নরওয়ের একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জনের পথে ইউরোপ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

ইসারের মনুষ্যবিহীনস্পেকট্রামরকেটটি মহাদেশীয় ইউরোপ থেকে কক্ষপথে পৌঁছানো প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট। মহাকাশ উৎক্ষেপণের ক্রমবর্ধমান বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রতিষ্ঠান যখন উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন এই উৎক্ষেপণকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Middle Post Content 1

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসার বলেছে, ‘আমরা কক্ষপথে! ইউরোপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করেছি।

Middle Post Content 2

নরওয়ের শিল্প বাণিজ্যমন্ত্রী সিসিলি মাইরসেথ এক বিবৃতিতে এই উৎক্ষেপণকে ইউরোপের মহাকাশ উৎক্ষেপণ শিল্পের জন্যএকটি বড় অগ্রগতিবলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এর ফলে মহাকাশে ইউরোপের প্রবেশাধিকার আরও বাড়বে।

Middle Post Content 3

মাইরসেথ বলেন, আন্দোয়া থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জন বর্তমান অস্থির সময়ে নরওয়ে ইউরোপের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

Middle Post Content 1

মহাকাশে স্বনির্ভর হতে চায় ইউরোপ

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ গত মার্চে ইসারের উৎক্ষেপণকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ইউরোপের বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও এই উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে থাকা বৈশ্বিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসায় ইউরোপ নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে।

Middle Post Content 1

ইসারের তথ্য অনুযায়ী, নরওয়ের আর্কটিক অঞ্চলের আন্দোয়া স্পেসপোর্ট থেকে উৎক্ষেপিত স্পেকট্রাম রকেটটি ছোট মাঝারি আকারের পেলোড বহনের জন্য তৈরি। এবারের মিশনে রকেটটি পাঁচটি ছোট স্যাটেলাইট এবং উড্ডয়নকালীন একটি প্রযুক্তিগত পরীক্ষার সরঞ্জাম বহন করছিল।

Middle Post Content 1

এটি ছিল ইসারের দ্বিতীয় রকেট উৎক্ষেপণ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে একই উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম রকেট উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর সমুদ্রে পড়ে বিস্ফোরিত হয়। ওই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

Middle Post Content 1

তখন ইসার জানিয়েছিল, রকেটটি বিধ্বস্ত হলেও মিশন থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। সে কারণে সেটিকে সফল মিশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Middle Post Content 1

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, শনিবারের উৎক্ষেপণ ছিল স্পেকট্রাম রকেটের সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি পেলোড বহন করে পরিচালিত প্রথম মিশন।

Middle Post Content 1

ইউরোপে বাড়ছে উৎক্ষেপণ সক্ষমতা

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের বৈশ্বিক বাজারে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইলন মাস্কের স্পেসএক্স এবং ফ্রান্সের এয়ারিয়ানগ্রুপ অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। এয়ারিয়ানগ্রুপ হলো এয়ারবাস সাফরানের যৌথ উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ আমেরিকার ফরাসি গায়ানায় অবস্থিত মহাকাশকেন্দ্র ব্যবহার করে।

Middle Post Content 1

ইউরোপের নিজস্ব মহাকাশ উৎক্ষেপণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগে সুইডেনের এসরেঞ্জ উৎক্ষেপণকেন্দ্র এবং যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের স্যাক্সাভর্ড স্পেসপোর্টও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Middle Post Content 1

এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মহাকাশে ইউরোপের নিজস্ব স্বাধীন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা তৈরি করা।

Middle Post Content 1

ইসার গত সপ্তাহে জানিয়েছে, নতুন রকেট তৈরি এবং পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা) থেকে প্রায় ২০ কোটি ইউরো বা ২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার অর্থায়ন পেয়েছে। পাশাপাশি জার্মান প্রতিষ্ঠানটি কানাডায় দ্বিতীয় একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র নির্মাণ করছে।

Middle Post Content 1

সূত্র: রয়টার্স

বিষয় : ইসার অ্যারোস্পেস স্পেকট্রাম রকেট নরওয়ে মহাকাশ উৎক্ষেপণ ইউরোপের মহাকাশ সক্ষমতা

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
360 News

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইউরোপের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে প্রথমবার কক্ষপথে বাণিজ্যিক রকেট

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জার্মান স্টার্টআপ ইসার অ্যারোস্পেস শনিবার আর্কটিক নরওয়ের একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জনের পথে ইউরোপ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

ইসারের মনুষ্যবিহীনস্পেকট্রামরকেটটি মহাদেশীয় ইউরোপ থেকে কক্ষপথে পৌঁছানো প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট। মহাকাশ উৎক্ষেপণের ক্রমবর্ধমান বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রতিষ্ঠান যখন উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন এই উৎক্ষেপণকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসার বলেছে, ‘আমরা কক্ষপথে! ইউরোপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করেছি।

নরওয়ের শিল্প বাণিজ্যমন্ত্রী সিসিলি মাইরসেথ এক বিবৃতিতে এই উৎক্ষেপণকে ইউরোপের মহাকাশ উৎক্ষেপণ শিল্পের জন্যএকটি বড় অগ্রগতিবলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এর ফলে মহাকাশে ইউরোপের প্রবেশাধিকার আরও বাড়বে।

মাইরসেথ বলেন, আন্দোয়া থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জন বর্তমান অস্থির সময়ে নরওয়ে ইউরোপের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

মহাকাশে স্বনির্ভর হতে চায় ইউরোপ

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ গত মার্চে ইসারের উৎক্ষেপণকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ইউরোপের বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও এই উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে থাকা বৈশ্বিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসায় ইউরোপ নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে।

ইসারের তথ্য অনুযায়ী, নরওয়ের আর্কটিক অঞ্চলের আন্দোয়া স্পেসপোর্ট থেকে উৎক্ষেপিত স্পেকট্রাম রকেটটি ছোট মাঝারি আকারের পেলোড বহনের জন্য তৈরি। এবারের মিশনে রকেটটি পাঁচটি ছোট স্যাটেলাইট এবং উড্ডয়নকালীন একটি প্রযুক্তিগত পরীক্ষার সরঞ্জাম বহন করছিল।

এটি ছিল ইসারের দ্বিতীয় রকেট উৎক্ষেপণ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে একই উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম রকেট উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর সমুদ্রে পড়ে বিস্ফোরিত হয়। ওই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

তখন ইসার জানিয়েছিল, রকেটটি বিধ্বস্ত হলেও মিশন থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। সে কারণে সেটিকে সফল মিশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, শনিবারের উৎক্ষেপণ ছিল স্পেকট্রাম রকেটের সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি পেলোড বহন করে পরিচালিত প্রথম মিশন।

ইউরোপে বাড়ছে উৎক্ষেপণ সক্ষমতা

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের বৈশ্বিক বাজারে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইলন মাস্কের স্পেসএক্স এবং ফ্রান্সের এয়ারিয়ানগ্রুপ অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। এয়ারিয়ানগ্রুপ হলো এয়ারবাস সাফরানের যৌথ উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ আমেরিকার ফরাসি গায়ানায় অবস্থিত মহাকাশকেন্দ্র ব্যবহার করে।

ইউরোপের নিজস্ব মহাকাশ উৎক্ষেপণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগে সুইডেনের এসরেঞ্জ উৎক্ষেপণকেন্দ্র এবং যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের স্যাক্সাভর্ড স্পেসপোর্টও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মহাকাশে ইউরোপের নিজস্ব স্বাধীন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা তৈরি করা।

ইসার গত সপ্তাহে জানিয়েছে, নতুন রকেট তৈরি এবং পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা) থেকে প্রায় ২০ কোটি ইউরো বা ২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার অর্থায়ন পেয়েছে। পাশাপাশি জার্মান প্রতিষ্ঠানটি কানাডায় দ্বিতীয় একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র নির্মাণ করছে।

সূত্র: রয়টার্স


360 News


কপিরাইট © ২০২৬ 360 News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ইউরোপের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে প্রথমবার কক্ষপথে বাণিজ্যিক রকেট
0:00 0:00
1.0x