ওই
জমির মালিক ফিলিস্তিনি কৃষক সাদ নেমের।
গত জুনে ইসরাইলি বসতি
স্থাপনকারীরা তাঁর সেচের পানির
পাইপলাইন দখল করে পানি
‘হেরোডের পুল’-এ সরিয়ে
নেয়। ফলে তাঁর কৃষিজমিতে
সেচ বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে সাদ নেমের ওই
এলাকায় প্রবেশও করতে পারছেন না।
এরপর
বসতি স্থাপনকারীরা স্থানটিকে ইসরাইলি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে প্রচার শুরু করেন। তাঁদের
দাবি, জলাধারটি বাইবেলের যুগের ইহুদি রাজা হেরোডের আমলের।
হেরোডের
পুল উন্নয়নে ৩০ লাখ শেকেল
(প্রায় ১০ লাখ মার্কিন
ডলার) বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্মোত্রিচ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সংরক্ষণ
ও সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতেই উন্নয়নকাজ চলছে।
একই
পোস্টে স্মোত্রিচ বলেন, বসতি স্থাপন বিপ্লব অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র:
আল
জাজিরা

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ওই
জমির মালিক ফিলিস্তিনি কৃষক সাদ নেমের।
গত জুনে ইসরাইলি বসতি
স্থাপনকারীরা তাঁর সেচের পানির
পাইপলাইন দখল করে পানি
‘হেরোডের পুল’-এ সরিয়ে
নেয়। ফলে তাঁর কৃষিজমিতে
সেচ বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে সাদ নেমের ওই
এলাকায় প্রবেশও করতে পারছেন না।
এরপর
বসতি স্থাপনকারীরা স্থানটিকে ইসরাইলি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে প্রচার শুরু করেন। তাঁদের
দাবি, জলাধারটি বাইবেলের যুগের ইহুদি রাজা হেরোডের আমলের।
হেরোডের
পুল উন্নয়নে ৩০ লাখ শেকেল
(প্রায় ১০ লাখ মার্কিন
ডলার) বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্মোত্রিচ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সংরক্ষণ
ও সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতেই উন্নয়নকাজ চলছে।
একই
পোস্টে স্মোত্রিচ বলেন, বসতি স্থাপন বিপ্লব অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র:
আল
জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন