360 News
Post Ads 1
Post Ads 2

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে, নেহা বোরার বক্তব্যে ভারতে বিতর্ক

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে, নেহা বোরার বক্তব্যে ভারতে বিতর্ক
Post Ads 3
ছবি: সংগ্রহ

বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ‘বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে’ দিল্লির ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামনে এনে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অভিযোগ করেছে, ভারতে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কথিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এ মন্তব্য করেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে তিনি বর্তমানে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড অ্যাস্থেটিকসে ডক্টরেট করছেন।

Middle Post Content 1

বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন। সেখানে নেহা বোরাকে বলতে শোনা যায়, ভারতে বর্তমানে যে জেন-জি আন্দোলন চলছে, তার সূচনা হয়েছিল প্রতিবেশী বাংলাদেশে।

Middle Post Content 2

নেহা বলেন, ‘এই দেশে আমরা সর্বত্র যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তা প্রথমে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আমাদের পথ দেখানোর জন্য এবং এই দেশের তরুণদের প্রতি সংহতি জানানোর জন্য আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

Middle Post Content 3

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কয়েক সপ্তাহের ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে।

Middle Post Content 1

বাংলাদেশের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা

ভিডিওতে নেহা বোরা বলেন, ভারতের তরুণেরা এখন গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছেন। বাংলাদেশের আন্দোলনের লক্ষ্যও ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা।

Middle Post Content 1

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ছিল গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকারের জন্য। আজ দেশের তরুণেরা যে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন এবং নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেটিও গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলন।’

Middle Post Content 1

নেহা আরও বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই চলছে, ভারতের তরুণেরাও একই ধরনের লড়াই করছেন। উন্নত দক্ষিণ এশিয়া ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণেরা একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Middle Post Content 1

নেহার বক্তব্যকে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র বলছে বিজেপি

নেহা বোরার বক্তব্যের ভিডিও সামনে এনে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, এটি ভারতে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনার খোলামেলা স্বীকারোক্তি।

Middle Post Content 1

ভাণ্ডারির অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর রাজনৈতিক বলয়ের উদ্দেশ্য কেবল সরকারের বিরোধিতা করা নয়; বরং সরকার পরিবর্তন করা। নেহা বোরা বাংলাদেশের জেন-জি আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান বলেও দাবি করেন তিনি।

Middle Post Content 1

বিজেপির সাবেক এই সাংবাদিক আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক বলয় ভারতীয় সংবিধান ও গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে চায়। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশের মতো সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তারা যুক্ত।

Middle Post Content 1

তবে নেহা বোরার বক্তব্যের ভিত্তিতে বিজেপির এসব অভিযোগকে দলটির রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

Middle Post Content 1

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পদযাত্রায় নেহা বোরা

এ সপ্তাহে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর নেতাদের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেন নেহা বোরা। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বিভিন্ন আন্দোলনকে আলাদা করে দেখতে অস্বীকৃতি জানান।

Middle Post Content 1

তিনি বলেন, ‘সব আন্দোলনই মূলত একটি আন্দোলন। ভারত এগিয়ে চলেছে। আপনি কে বা কোন দলের থেকে এসেছেন, তা আমাদের দেখার বিষয় নয়; আপনি যদি সংবিধান রক্ষা করেন, তবে আমরা আপনার সঙ্গে আছি, সাহায্য করব ও সুরক্ষা দেব। এটি ভারতের মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।’

Middle Post Content 1

রাহুলের এ বক্তব্যে সংবিধান রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনের প্রতি বিরোধী জোটের সমর্থনের বিষয়টি উঠে আসে।

Middle Post Content 1

বিক্ষোভের পরিচিত মুখ নেহা বোরা

ব্যক্তিগত আলাপে মৃদুভাষী হলেও মাইক্রোফোনের সামনে জোরালো বক্তা হিসেবে পরিচিত নেহা বোরা। হিন্দি ও ইংরেজিতে দেওয়া তাঁর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি প্রায়ই সাংবিধানিক অধিকার, সরকারি জবাবদিহি ও বৈষম্যের মতো বিষয় সামনে আনেন।

Middle Post Content 1

চলতি বছরের জুলাইয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আলোচনায় আসেন তিনি। ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে পুলিশের পদক্ষেপ ও সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া তাঁর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রাজধানীতে বিভিন্ন বিক্ষোভে তাঁকে নিয়মিত দেখা গেছে।

Middle Post Content 1

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের সময় একাধিকবার আটক হলেও মুক্তি পেয়ে আবারও রাজপথে ফিরে এসেছেন নেহা।

Middle Post Content 1

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেহা বলেন, শুধু আদর্শ দিয়ে এ আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে না; এর বড় চালিকাশক্তি হলো আশা।

Middle Post Content 1

তাঁর ভাষায়, ‘ভয় সংক্রামক, তবে আশাও সংক্রামক।’

Middle Post Content 1

নেহার মতে, মানুষ এখন সাহস পাচ্ছে, কারণ তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে তারাও সাহসী হতে পারে। চলমান বিক্ষোভকে তিনি বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেন।

Middle Post Content 1

সূত্র: রয়টার্স ও প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের তথ্য

বিষয় : বাংলাদেশ বিজেপি নেহা বোরা জেন-জি আন্দোলন রাহুল গান্ধী

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
360 News

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে, নেহা বোরার বক্তব্যে ভারতে বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ‘বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে’ দিল্লির ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামনে এনে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অভিযোগ করেছে, ভারতে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কথিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এ মন্তব্য করেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে তিনি বর্তমানে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড অ্যাস্থেটিকসে ডক্টরেট করছেন।

বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন। সেখানে নেহা বোরাকে বলতে শোনা যায়, ভারতে বর্তমানে যে জেন-জি আন্দোলন চলছে, তার সূচনা হয়েছিল প্রতিবেশী বাংলাদেশে।

নেহা বলেন, ‘এই দেশে আমরা সর্বত্র যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তা প্রথমে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আমাদের পথ দেখানোর জন্য এবং এই দেশের তরুণদের প্রতি সংহতি জানানোর জন্য আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কয়েক সপ্তাহের ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে।

বাংলাদেশের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা

ভিডিওতে নেহা বোরা বলেন, ভারতের তরুণেরা এখন গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছেন। বাংলাদেশের আন্দোলনের লক্ষ্যও ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ছিল গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকারের জন্য। আজ দেশের তরুণেরা যে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন এবং নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেটিও গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলন।’

নেহা আরও বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই চলছে, ভারতের তরুণেরাও একই ধরনের লড়াই করছেন। উন্নত দক্ষিণ এশিয়া ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণেরা একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নেহার বক্তব্যকে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র বলছে বিজেপি

নেহা বোরার বক্তব্যের ভিডিও সামনে এনে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, এটি ভারতে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনার খোলামেলা স্বীকারোক্তি।

ভাণ্ডারির অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর রাজনৈতিক বলয়ের উদ্দেশ্য কেবল সরকারের বিরোধিতা করা নয়; বরং সরকার পরিবর্তন করা। নেহা বোরা বাংলাদেশের জেন-জি আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান বলেও দাবি করেন তিনি।

বিজেপির সাবেক এই সাংবাদিক আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক বলয় ভারতীয় সংবিধান ও গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে চায়। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশের মতো সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তারা যুক্ত।

তবে নেহা বোরার বক্তব্যের ভিত্তিতে বিজেপির এসব অভিযোগকে দলটির রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পদযাত্রায় নেহা বোরা

এ সপ্তাহে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর নেতাদের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেন নেহা বোরা। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বিভিন্ন আন্দোলনকে আলাদা করে দেখতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি বলেন, ‘সব আন্দোলনই মূলত একটি আন্দোলন। ভারত এগিয়ে চলেছে। আপনি কে বা কোন দলের থেকে এসেছেন, তা আমাদের দেখার বিষয় নয়; আপনি যদি সংবিধান রক্ষা করেন, তবে আমরা আপনার সঙ্গে আছি, সাহায্য করব ও সুরক্ষা দেব। এটি ভারতের মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।’

রাহুলের এ বক্তব্যে সংবিধান রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনের প্রতি বিরোধী জোটের সমর্থনের বিষয়টি উঠে আসে।

বিক্ষোভের পরিচিত মুখ নেহা বোরা

ব্যক্তিগত আলাপে মৃদুভাষী হলেও মাইক্রোফোনের সামনে জোরালো বক্তা হিসেবে পরিচিত নেহা বোরা। হিন্দি ও ইংরেজিতে দেওয়া তাঁর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি প্রায়ই সাংবিধানিক অধিকার, সরকারি জবাবদিহি ও বৈষম্যের মতো বিষয় সামনে আনেন।

চলতি বছরের জুলাইয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আলোচনায় আসেন তিনি। ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে পুলিশের পদক্ষেপ ও সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া তাঁর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রাজধানীতে বিভিন্ন বিক্ষোভে তাঁকে নিয়মিত দেখা গেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের সময় একাধিকবার আটক হলেও মুক্তি পেয়ে আবারও রাজপথে ফিরে এসেছেন নেহা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেহা বলেন, শুধু আদর্শ দিয়ে এ আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে না; এর বড় চালিকাশক্তি হলো আশা।

তাঁর ভাষায়, ‘ভয় সংক্রামক, তবে আশাও সংক্রামক।’

নেহার মতে, মানুষ এখন সাহস পাচ্ছে, কারণ তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে তারাও সাহসী হতে পারে। চলমান বিক্ষোভকে তিনি বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেন।

সূত্র: রয়টার্স ও প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের তথ্য


360 News


কপিরাইট © ২০২৬ 360 News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে, নেহা বোরার বক্তব্যে ভারতে বিতর্ক
0:00 0:00
1.0x