360 News
Post Ads 1
Post Ads 2

আন্তর্জাতিক

মোদির দাবি ভারত গণতন্ত্রের জননী

মোদির দাবি ভারত গণতন্ত্রের জননী
Post Ads 3
ছবি: সংগ্রহ

ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ বলে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, ভারতে মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক করেন এবং নাগরিকেরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। তবে তাঁর এ বক্তব্য এমন সময়ে এল, যখন রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রতিবাদকারীদের দমনে দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বিক্ষোভের সমালোচনায় সরব হয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। আন্দোলনকে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস ও দলটির নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতারা।

Middle Post Content 1

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ব্লুমবার্গ ইকনমিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোদি ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চিত্র তুলে ধরেন। রাজনীতি, ব্যবসা ও নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ মঞ্চে তিনি ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিক্ষোভের বিরোধিতায় সক্রিয় ছিল বিজেপি।

Middle Post Content 2

ভারতে প্রকাশ্যে বিতর্ক হয়

মোদি বলেন, ‘ভারত গণতন্ত্রের জননী। এ দেশে ১০০টিরও বেশি ভাষা রয়েছে, নিবন্ধিত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে এক হাজারের বেশি।’

Middle Post Content 3

ভারতের ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্তারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে দেশটিতে ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটির বেশি। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যাও ৫০ কোটির বেশি।

Middle Post Content 1

মোদির ভাষ্য, ভারতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক হয় এবং নাগরিকেরা নানা মতামত প্রকাশ করেন। এ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Middle Post Content 1

তবে মোদির এ বক্তব্যের বিপরীতে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং প্রতিবাদ দমনের অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক চলছে।

Middle Post Content 1

রাহুল গান্ধীকে ‘বিপদ সংকেত’ বলল বিজেপি

মঙ্গলবার দিনের পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভের সমালোচনায় সরব হন বিজেপি নেতারা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও রাজিব রঞ্জন সিং।

Middle Post Content 1

কংগ্রেসকে ‘ভ্রান্ত ধারণায় আচ্ছন্ন’ বলে মন্তব্য করেন গোয়েল। তিনি রাহুল গান্ধীকে মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা বিপদ সংকেত হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁর দাবি, এ কারণেই কংগ্রেস বারবার নির্বাচনে পরাজিত হচ্ছে।

Middle Post Content 1

কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল, সে বিষয়েও বক্তব্য দেন গোয়েল। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এস গিলকে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত করা এবং পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

Middle Post Content 1

অন্যদিকে, মোদি সরকারের আমলে ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছে বলে দাবি করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

Middle Post Content 1

নৈরাজ্য দেশের মানুষ ক্ষমা করবেন না

জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজিব রঞ্জন সিংও বিক্ষোভের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশে নৈরাজ্য ছড়ানো এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে গত কয়েক দিন ধরে যে ধরনের নাটক ও লোকদেখানো কর্মকাণ্ড চলছে, তা দেশের মানুষ কখনো ক্ষমা করবেন না।

Middle Post Content 1

বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল ও ক্ষমতাসীন বিজেপির পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে ভারতের গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

Middle Post Content 1

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

বিষয় : গণতন্ত্র নরেন্দ্র মোদি বিজেপি কংগ্রেস দিল্লির বিক্ষোভ গণতন্ত্র

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
360 News

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


মোদির দাবি ভারত গণতন্ত্রের জননী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ বলে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, ভারতে মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক করেন এবং নাগরিকেরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। তবে তাঁর এ বক্তব্য এমন সময়ে এল, যখন রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রতিবাদকারীদের দমনে দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বিক্ষোভের সমালোচনায় সরব হয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। আন্দোলনকে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস ও দলটির নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতারা।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ব্লুমবার্গ ইকনমিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোদি ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চিত্র তুলে ধরেন। রাজনীতি, ব্যবসা ও নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ মঞ্চে তিনি ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিক্ষোভের বিরোধিতায় সক্রিয় ছিল বিজেপি।

ভারতে প্রকাশ্যে বিতর্ক হয়

মোদি বলেন, ‘ভারত গণতন্ত্রের জননী। এ দেশে ১০০টিরও বেশি ভাষা রয়েছে, নিবন্ধিত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে এক হাজারের বেশি।’

ভারতের ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্তারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে দেশটিতে ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটির বেশি। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যাও ৫০ কোটির বেশি।

মোদির ভাষ্য, ভারতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক হয় এবং নাগরিকেরা নানা মতামত প্রকাশ করেন। এ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে মোদির এ বক্তব্যের বিপরীতে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং প্রতিবাদ দমনের অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক চলছে।

রাহুল গান্ধীকে ‘বিপদ সংকেত’ বলল বিজেপি

মঙ্গলবার দিনের পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভের সমালোচনায় সরব হন বিজেপি নেতারা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও রাজিব রঞ্জন সিং।

কংগ্রেসকে ‘ভ্রান্ত ধারণায় আচ্ছন্ন’ বলে মন্তব্য করেন গোয়েল। তিনি রাহুল গান্ধীকে মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা বিপদ সংকেত হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁর দাবি, এ কারণেই কংগ্রেস বারবার নির্বাচনে পরাজিত হচ্ছে।

কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল, সে বিষয়েও বক্তব্য দেন গোয়েল। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এস গিলকে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত করা এবং পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

অন্যদিকে, মোদি সরকারের আমলে ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছে বলে দাবি করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

নৈরাজ্য দেশের মানুষ ক্ষমা করবেন না

জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজিব রঞ্জন সিংও বিক্ষোভের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশে নৈরাজ্য ছড়ানো এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে গত কয়েক দিন ধরে যে ধরনের নাটক ও লোকদেখানো কর্মকাণ্ড চলছে, তা দেশের মানুষ কখনো ক্ষমা করবেন না।

বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল ও ক্ষমতাসীন বিজেপির পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে ভারতের গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া


360 News


কপিরাইট © ২০২৬ 360 News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মোদির দাবি ভারত গণতন্ত্রের জননী
0:00 0:00
1.0x