কুয়েতের সরকারি রাজস্বের ৯০ শতাংশের বেশি
এবং প্রায় পুরো রপ্তানি আয়
আসে তেল খাত থেকে।
ফলে তেল রপ্তানিতে দীর্ঘস্থায়ী
বাধা দেশটির অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
কুয়েতের তেল রপ্তানির প্রধান
পথ হরমুজ প্রণালি। এই প্রণালি এড়িয়ে
তেল পরিবহনের জন্য সৌদি আরব
বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো
বিকল্প পাইপলাইন কুয়েতের নেই। যুদ্ধের কারণে
প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কুয়েতের তেল সরবরাহ ব্যবস্থাও
চাপের মুখে পড়েছে।
কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (কেপিসি) প্রধান নির্বাহী শেখ নওয়াফ সৌদ
আল-সাবাহ বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৯০ সালে ইরাকের
আগ্রাসনের পর কুয়েতের তেল
খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে
বর্ণনা করেছেন।
১৯৯০ সালের আগ্রাসনের
সময় ইরাকি বাহিনী শত শত তেলকূপে
আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তেল
স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি করে। এবার তেমন
মাত্রার ধ্বংস না হলেও যুদ্ধের
কারণে কুয়েতের তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই
চুক্তিগত দায় পূরণে অক্ষমতার
কথা জানিয়ে কেপিসি ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছিল। যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের
মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে চুক্তির বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হলে এ ধরনের
আইনি সুরক্ষা নেওয়া যায়। পরে জুনে
ওই ঘোষণা প্রত্যাহার করা হয়।
ইরানের হামলায় কুয়েতের পানি শোধনাগার ও
জ্বালানি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এপ্রিলে কেপিসির সদর দপ্তরে ড্রোন
হামলার ঘটনাও ঘটে।
যুদ্ধের আগে কুয়েত দৈনিক
২৬ লাখ ব্যারেলের কিছু
বেশি তেল উৎপাদন করত।
দেশটির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছিল ২০৪০ সালের
মধ্যে দৈনিক উৎপাদন ৪০ লাখ ব্যারেলে
উন্নীত করা।
কেপিসির প্রধান নির্বাহী মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে কুয়েত দ্রুত আগের উৎপাদনমাত্রায় ফিরতে পারবে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে যুদ্ধের আগের উৎপাদনমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ারও আশা করছে দেশটি।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কুয়েতের সরকারি রাজস্বের ৯০ শতাংশের বেশি
এবং প্রায় পুরো রপ্তানি আয়
আসে তেল খাত থেকে।
ফলে তেল রপ্তানিতে দীর্ঘস্থায়ী
বাধা দেশটির অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
কুয়েতের তেল রপ্তানির প্রধান
পথ হরমুজ প্রণালি। এই প্রণালি এড়িয়ে
তেল পরিবহনের জন্য সৌদি আরব
বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো
বিকল্প পাইপলাইন কুয়েতের নেই। যুদ্ধের কারণে
প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কুয়েতের তেল সরবরাহ ব্যবস্থাও
চাপের মুখে পড়েছে।
কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (কেপিসি) প্রধান নির্বাহী শেখ নওয়াফ সৌদ
আল-সাবাহ বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৯০ সালে ইরাকের
আগ্রাসনের পর কুয়েতের তেল
খাতের সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে
বর্ণনা করেছেন।
১৯৯০ সালের আগ্রাসনের
সময় ইরাকি বাহিনী শত শত তেলকূপে
আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তেল
স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি করে। এবার তেমন
মাত্রার ধ্বংস না হলেও যুদ্ধের
কারণে কুয়েতের তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই
চুক্তিগত দায় পূরণে অক্ষমতার
কথা জানিয়ে কেপিসি ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছিল। যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের
মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে চুক্তির বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হলে এ ধরনের
আইনি সুরক্ষা নেওয়া যায়। পরে জুনে
ওই ঘোষণা প্রত্যাহার করা হয়।
ইরানের হামলায় কুয়েতের পানি শোধনাগার ও
জ্বালানি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এপ্রিলে কেপিসির সদর দপ্তরে ড্রোন
হামলার ঘটনাও ঘটে।
যুদ্ধের আগে কুয়েত দৈনিক
২৬ লাখ ব্যারেলের কিছু
বেশি তেল উৎপাদন করত।
দেশটির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছিল ২০৪০ সালের
মধ্যে দৈনিক উৎপাদন ৪০ লাখ ব্যারেলে
উন্নীত করা।
কেপিসির প্রধান নির্বাহী মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে কুয়েত দ্রুত আগের উৎপাদনমাত্রায় ফিরতে পারবে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে যুদ্ধের আগের উৎপাদনমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ারও আশা করছে দেশটি।

আপনার মতামত লিখুন