শুক্রবার রাজধানীর
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের
(ইউএপি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান
জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন,
দুর্নীতি বা শর্টকাটের পথ
বেছে নিয়ে দ্রুত বড়লোক
হওয়ার চেষ্টা না করে মেধা,
সততা, নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের
মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ আইনজীবী
হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন,
বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষা কঠোর ও স্বচ্ছ
করার অন্যতম লক্ষ্য হলো মেধা ও
যোগ্যতার ভিত্তিতে আইন পেশায় প্রবেশের
সুযোগ নিশ্চিত করা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা
কারও অনুগ্রহে নয়, নিজেদের মেধা
ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই আইনজীবী হিসেবে সনদ পেয়েছেন।
নবীন আইনজীবীদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, পেশার
শুরুতে কাজ ও পারিশ্রমিক
কম হতে পারে। ধৈর্য
ধরে কাজ করতে হবে।
অভিজ্ঞতার সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিক দুটিই
বাড়বে। তাই শুরুতেই অর্থের
পেছনে না ছুটে দক্ষতা
অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।
পেশাগত নৈতিকতার
ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন,
ক্লায়েন্টের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক বজায় রেখে আইন
পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও আইনজীবীদের দায়িত্ব।
সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু মামলা বিনামূল্যে
পরিচালনার আহ্বানও জানান তিনি।
নিয়মিত পড়াশোনার
ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন,
আইন পেশায় প্রতিদিন শেখার সুযোগ রয়েছে। ভালো ড্রাফটিংসহ বিভিন্ন
পেশাগত দক্ষতা অর্জনে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে।
আইনজীবীদের দক্ষতা
বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান আইনমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মজিবুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, স্কুল অব ল’-এর ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকি খলিলি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার রাজধানীর
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের
(ইউএপি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান
জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন,
দুর্নীতি বা শর্টকাটের পথ
বেছে নিয়ে দ্রুত বড়লোক
হওয়ার চেষ্টা না করে মেধা,
সততা, নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের
মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ আইনজীবী
হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন,
বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষা কঠোর ও স্বচ্ছ
করার অন্যতম লক্ষ্য হলো মেধা ও
যোগ্যতার ভিত্তিতে আইন পেশায় প্রবেশের
সুযোগ নিশ্চিত করা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা
কারও অনুগ্রহে নয়, নিজেদের মেধা
ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই আইনজীবী হিসেবে সনদ পেয়েছেন।
নবীন আইনজীবীদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, পেশার
শুরুতে কাজ ও পারিশ্রমিক
কম হতে পারে। ধৈর্য
ধরে কাজ করতে হবে।
অভিজ্ঞতার সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিক দুটিই
বাড়বে। তাই শুরুতেই অর্থের
পেছনে না ছুটে দক্ষতা
অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।
পেশাগত নৈতিকতার
ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন,
ক্লায়েন্টের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক বজায় রেখে আইন
পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও আইনজীবীদের দায়িত্ব।
সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু মামলা বিনামূল্যে
পরিচালনার আহ্বানও জানান তিনি।
নিয়মিত পড়াশোনার
ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন,
আইন পেশায় প্রতিদিন শেখার সুযোগ রয়েছে। ভালো ড্রাফটিংসহ বিভিন্ন
পেশাগত দক্ষতা অর্জনে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে।
আইনজীবীদের দক্ষতা
বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান আইনমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মজিবুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, স্কুল অব ল’-এর ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকি খলিলি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন