সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দুবাই আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার খবরের পর তা বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ জন্য দুবাইয়ে একটি ল ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার রাজশাহী পুলিশ
লাইনসে
পুলিশ
কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মতবিনিময় সভা
শেষে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
তিনি
বলেন,
বেনজীরের জামিনের বিষয়টি
জানার
পর
স্বরাষ্ট্র সচিব
ও
দুবাইয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে
যোগাযোগ করা
হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান,
বেনজীরকে সংযুক্ত আরব
আমিরাত
ছাড়তে
না
পারার
শর্তে
জামিন
দেওয়া
হয়েছে
বলে
তিনি
শুনেছেন। জামিন
আদেশের
সত্যায়িত কপি
সংগ্রহের উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে
এবং
জামিন
বাতিলের জন্য
নিয়োগ
করা
আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
তিনি বলেন,
সরকার
আইনগত
প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেনজীর
আহমেদকে দেশে
ফিরিয়ে
আনার
চেষ্টা
করছে।
এর আগে
১৪
জুন
পুলিশ
সদর
দপ্তর
জানায়,
দুবাইয়ে বেনজীর
আহমেদ
গ্রেপ্তার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে
জানা
যায়,
দুর্নীতি দমন
কমিশনের (দুদক)
মামলার
প্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে
গ্রেপ্তার করা
হয়।
বেনজীর আহমেদ
২০২০
সালের
এপ্রিল
থেকে
২০২২
সালের
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের আইজিপি
ছিলেন।
এর
আগে
তিনি
ডিএমপি
কমিশনার ও
র্যাব
মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন
করেন।
দুদক ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক মামলা করে। এসব মামলার পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দুবাই আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার খবরের পর তা বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ জন্য দুবাইয়ে একটি ল ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার রাজশাহী পুলিশ
লাইনসে
পুলিশ
কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মতবিনিময় সভা
শেষে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
তিনি
বলেন,
বেনজীরের জামিনের বিষয়টি
জানার
পর
স্বরাষ্ট্র সচিব
ও
দুবাইয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে
যোগাযোগ করা
হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান,
বেনজীরকে সংযুক্ত আরব
আমিরাত
ছাড়তে
না
পারার
শর্তে
জামিন
দেওয়া
হয়েছে
বলে
তিনি
শুনেছেন। জামিন
আদেশের
সত্যায়িত কপি
সংগ্রহের উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে
এবং
জামিন
বাতিলের জন্য
নিয়োগ
করা
আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
তিনি বলেন,
সরকার
আইনগত
প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেনজীর
আহমেদকে দেশে
ফিরিয়ে
আনার
চেষ্টা
করছে।
এর আগে
১৪
জুন
পুলিশ
সদর
দপ্তর
জানায়,
দুবাইয়ে বেনজীর
আহমেদ
গ্রেপ্তার হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে
জানা
যায়,
দুর্নীতি দমন
কমিশনের (দুদক)
মামলার
প্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে
গ্রেপ্তার করা
হয়।
বেনজীর আহমেদ
২০২০
সালের
এপ্রিল
থেকে
২০২২
সালের
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের আইজিপি
ছিলেন।
এর
আগে
তিনি
ডিএমপি
কমিশনার ও
র্যাব
মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন
করেন।
দুদক ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক মামলা করে। এসব মামলার পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন