সোমবার রাতে
রাজধানীর শিল্পাঞ্চল থানার উত্তর বেগুনবাড়ি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
সাইফুল আলম খান মিলন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪
নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. উল্লাহ ভূঁইয়া
হারুনের ব্যবস্থাপনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন
বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. রিয়াজ উদ্দিন।
সাইফুল আলম
খান মিলন বলেন, ‘কী
হচ্ছে দেশে? এখানে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়েছে।’ তিনি কুমিল্লায় একটি
শিশুকে হত্যা এবং খুলনায় এক
যুবককে পিটিয়ে হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর
ভাষ্য, মানুষ হত্যা ও ধর্ষণের মতো
ঘটনা ঘটলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
ভূমিকা কী—সেটি নিয়ে
প্রশ্ন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিষ্ক্রিয় থাকলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না বলেও
মন্তব্য করেন তিনি।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে
জামায়াতের এই নেতা বলেন,
চাঁদাবাজি বন্ধ করতে ‘শুধু
তাঁর জীবনটা দেওয়া বাকি’। তিনি
দাবি করেন, সরকারি দলের লোকজন চাঁদাবাজি
করছে এবং কারওয়ান বাজারসহ
বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা
রয়েছে। নির্বাচনের আগেও তিনি চাঁদাবাজি
বন্ধের কথা বলেছেন এবং
এখনো তা বন্ধ করার
আহ্বান জানাচ্ছেন বলে জানান।
তিনি আরও
বলেন, কোনো এলাকায় সরকারি
দলের এমপি থাকলেও স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা ছাড়া তাঁর পক্ষে
একা চাঁদাবাজি বন্ধ করা সম্ভব
নয়।
চাঁদাবাজি ও
মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়ে সাইফুল আলম খান মিলন
বলেন, পাড়া-মহল্লায় মানুষকে
একত্রিত হয়ে কমিটি গঠন
করতে হবে। চাঁদা না
দেওয়া এবং মাদক বিক্রি
করতে না দেওয়ার মতো
সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এভাবে
মহল্লায় মহল্লায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হলে
তাঁরা জনগণের পাশে থাকবেন বলেও
জানান তিনি।
তবে বক্তব্যের
একপর্যায়ে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারীদের
বিরুদ্ধে প্রয়োজনে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে
তোলার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, সরকার
যদি বাহিনী দিয়ে দেশের অনাচার-অত্যাচার বন্ধ করতে না
পারে, তাহলে জনগণের মাঠে নামা ছাড়া
উপায় থাকবে না। এসব বন্ধ
করার জন্য এখনো সময়
আছে বলেও মন্তব্য করেন
তিনি।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের
মজলিসে শূরা সদস্য ও
শিল্পাঞ্চল থানা আমির মো.
কলিম উল্লাহ এবং থানা সেক্রেটারি
নূর উদ্দিন মো. জাহিদ। এ
ছাড়া স্থানীয় বিশিষ্টজন, আলেম-ওলামা, যুবক,
শিক্ষক ও মহল্লা কমিটির
নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার রাতে
রাজধানীর শিল্পাঞ্চল থানার উত্তর বেগুনবাড়ি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
সাইফুল আলম খান মিলন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪
নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. উল্লাহ ভূঁইয়া
হারুনের ব্যবস্থাপনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন
বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. রিয়াজ উদ্দিন।
সাইফুল আলম
খান মিলন বলেন, ‘কী
হচ্ছে দেশে? এখানে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়েছে।’ তিনি কুমিল্লায় একটি
শিশুকে হত্যা এবং খুলনায় এক
যুবককে পিটিয়ে হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর
ভাষ্য, মানুষ হত্যা ও ধর্ষণের মতো
ঘটনা ঘটলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
ভূমিকা কী—সেটি নিয়ে
প্রশ্ন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিষ্ক্রিয় থাকলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না বলেও
মন্তব্য করেন তিনি।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে
জামায়াতের এই নেতা বলেন,
চাঁদাবাজি বন্ধ করতে ‘শুধু
তাঁর জীবনটা দেওয়া বাকি’। তিনি
দাবি করেন, সরকারি দলের লোকজন চাঁদাবাজি
করছে এবং কারওয়ান বাজারসহ
বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা
রয়েছে। নির্বাচনের আগেও তিনি চাঁদাবাজি
বন্ধের কথা বলেছেন এবং
এখনো তা বন্ধ করার
আহ্বান জানাচ্ছেন বলে জানান।
তিনি আরও
বলেন, কোনো এলাকায় সরকারি
দলের এমপি থাকলেও স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা ছাড়া তাঁর পক্ষে
একা চাঁদাবাজি বন্ধ করা সম্ভব
নয়।
চাঁদাবাজি ও
মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়ে সাইফুল আলম খান মিলন
বলেন, পাড়া-মহল্লায় মানুষকে
একত্রিত হয়ে কমিটি গঠন
করতে হবে। চাঁদা না
দেওয়া এবং মাদক বিক্রি
করতে না দেওয়ার মতো
সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এভাবে
মহল্লায় মহল্লায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হলে
তাঁরা জনগণের পাশে থাকবেন বলেও
জানান তিনি।
তবে বক্তব্যের
একপর্যায়ে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারীদের
বিরুদ্ধে প্রয়োজনে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে
তোলার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, সরকার
যদি বাহিনী দিয়ে দেশের অনাচার-অত্যাচার বন্ধ করতে না
পারে, তাহলে জনগণের মাঠে নামা ছাড়া
উপায় থাকবে না। এসব বন্ধ
করার জন্য এখনো সময়
আছে বলেও মন্তব্য করেন
তিনি।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের
মজলিসে শূরা সদস্য ও
শিল্পাঞ্চল থানা আমির মো.
কলিম উল্লাহ এবং থানা সেক্রেটারি
নূর উদ্দিন মো. জাহিদ। এ
ছাড়া স্থানীয় বিশিষ্টজন, আলেম-ওলামা, যুবক,
শিক্ষক ও মহল্লা কমিটির
নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন