360 News
Post Ads 1
Post Ads 2

সারাদেশ

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৩০

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৩০
Post Ads 3
ছবি: সংগ্রহ

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের দুটি গাড়িসহ শতাধিক যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Middle Post Content 1

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, শিল্প পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ করেন। পরে বেলা একটার দিকে বিভিন্ন এলাকায় মহাসড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

Middle Post Content 2

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, সোমবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যকে গুজব উল্লেখ করে শ্রমিক ও নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Middle Post Content 3

বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর

সোমবার সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। একই সময়ে শফিপুর, চন্দ্রা, গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, মালেকের বাড়ি, কোনাবাড়ী ও সালনাসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়।

Middle Post Content 1

একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কের ওপর ঝুট কাপড়, বাঁশ ও কাঠ জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

Middle Post Content 1

বিক্ষোভের একপর্যায়ে মহানগরের নাওজোর এলাকায় পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশের দুটি গাড়িসহ শতাধিক যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। কালিয়াকৈর এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দেওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

Middle Post Content 1

বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Middle Post Content 1

একাধিক মামলার প্রস্তুতি, গ্রেপ্তার ৩০

শিল্পাঞ্চল-২ (গাজীপুর) পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানান, সোমবার সকালেও কালিয়াকৈরের শফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লীবিদ্যুৎসহ গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, কোনাবাড়ী ও সালনা এলাকায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। তাঁরা বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর করেন।

Middle Post Content 1

পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন। কোথাও আধা ঘণ্টা, কোথাও এক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল শুরু করা হয়।

Middle Post Content 1

তিনি আরও জানান, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার হতে পারে।

Middle Post Content 1

পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার বলেন, সোমবারের ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানান তিনি।

Middle Post Content 1

আগের দিনও বিক্ষোভ, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

এর আগে রোববার গাজীপুরের মৌচাক, শফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। কয়েকটি কারখানার সামনে ভাঙচুর, ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া যায়।

Middle Post Content 1

শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দুই দিনের এসব ঘটনায় শিল্পাঞ্চলের উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

Middle Post Content 1

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া জানান, জানমাল এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

Middle Post Content 1

শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান প্রশাসকের

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে মজুরি কমিশন গঠন করেছে। আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে শ্রমিক, মালিকপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সমাধানের পথ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে বেতন বাড়তে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Middle Post Content 1

শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিল্পকারখানা সচল থাকলে শ্রমিক, গাজীপুর এবং দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে।

Middle Post Content 1

প্রশাসক আরও অভিযোগ করেন, কিছু দুষ্কৃতকারী উসকানিমূলক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শ্রমিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

Middle Post Content 1

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরেই গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা চলছে। শ্রমিকদের দাবি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের মজুরি বাড়াতে হবে। অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বিষয় : গাজীপুর পোশাকশ্রমিক আন্দোলন ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি শ্রমিক বিক্ষোভ

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
360 News

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৩০

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের দুটি গাড়িসহ শতাধিক যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, শিল্প পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ করেন। পরে বেলা একটার দিকে বিভিন্ন এলাকায় মহাসড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, সোমবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যকে গুজব উল্লেখ করে শ্রমিক ও নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর

সোমবার সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। একই সময়ে শফিপুর, চন্দ্রা, গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, মালেকের বাড়ি, কোনাবাড়ী ও সালনাসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়।

একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কের ওপর ঝুট কাপড়, বাঁশ ও কাঠ জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে মহানগরের নাওজোর এলাকায় পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশের দুটি গাড়িসহ শতাধিক যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। কালিয়াকৈর এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দেওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

একাধিক মামলার প্রস্তুতি, গ্রেপ্তার ৩০

শিল্পাঞ্চল-২ (গাজীপুর) পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানান, সোমবার সকালেও কালিয়াকৈরের শফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লীবিদ্যুৎসহ গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, কোনাবাড়ী ও সালনা এলাকায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। তাঁরা বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুর করেন।

পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন। কোথাও আধা ঘণ্টা, কোথাও এক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল শুরু করা হয়।

তিনি আরও জানান, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় শিল্প পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার হতে পারে।

পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার বলেন, সোমবারের ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানান তিনি।

আগের দিনও বিক্ষোভ, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

এর আগে রোববার গাজীপুরের মৌচাক, শফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। কয়েকটি কারখানার সামনে ভাঙচুর, ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া যায়।

শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দুই দিনের এসব ঘটনায় শিল্পাঞ্চলের উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া জানান, জানমাল এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান প্রশাসকের

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে মজুরি কমিশন গঠন করেছে। আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে শ্রমিক, মালিকপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সমাধানের পথ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে বেতন বাড়তে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিল্পকারখানা সচল থাকলে শ্রমিক, গাজীপুর এবং দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে।

প্রশাসক আরও অভিযোগ করেন, কিছু দুষ্কৃতকারী উসকানিমূলক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শ্রমিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরেই গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা চলছে। শ্রমিকদের দাবি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের মজুরি বাড়াতে হবে। অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


360 News


কপিরাইট © ২০২৬ 360 News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৩০
0:00 0:00
1.0x