মনির হোসেন পাটোয়ারী: রাজধানী ঢাকার প্রাণ মতিঝিল। সেই মতিঝিল লাগোয়া বাসাবো, খিলগাঁও, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী ও বাড্ডার বিভিন্ন এলাকা রাজধানীর ঘনবসতি পূর্ণ এলাকার অন্যতম। আর সেই এলাকাগুলোতেই প্রকাশ্য দিবালোকে চলে মাদক ব্যনিজ্য, চাঁদাবাজি, দখল, ছিনতাই হত্যার মতো ঘটনা।
তবে এই এলাকার আওয়ামী নেতা মিল্কী বনানীতে আর টিপু শাহজাহানপুরে
হত্যার পর অনেকটাই যেনো অভিভাবকহীন ছিলো আন্ডারওয়ার্ল্ড। তবে সম্প্রতি সরকার বদলে নতুন
করে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করে ভূমি দস্যূতা, মাদক স্পট আর রাস্তার চাঁদাবাজি
নিয়ন্ত্রণে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সোস্যাল মিডিয়ায় মোহম্মদপুর সন্ত্রাসী তৎপরতায় ভাইরাল হলেও বাসাবো, খিলগাঁও, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী ও বাড্ডার মতো এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও আহমেদ মেহেদী ওরফে কলিন্স এবং কারবন্দী সুব্রত বাইন এর অনুচরদের নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করা হলেও। স্থানীয়ভাবে চাঁদাবাজি ও অপরাধ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ নাকি এখন রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সিন্ডিকেটের হাতে যাদের নেপথ্যে মদদের অভিযোগ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন,
এলাকায় অপরাধের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছেও মুখ খুলতে ভয় পায়। কারন সব অপরাধের নেপথ্যে
কোন না কোন পুলিশ সদস্য রাখছে মদদ দাতার ভূমিকা। কারন তাদের পোস্টিং নির্ভর করে রাজ
নেতাদের কৃপার উপড়। আর একারনেই লোমহর্ষক ঘটনাও প্রকাশ পায়না।
এসব এলাকার বড় বড় সব অপরাধের নেপথ্যে ভূমি দস্যূতা। কারন ঢাকা ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান, ড্যাপ পাশের পর এসব এলাকায় থাকা জমি আর জলাভূমি সব মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছ। আর সাম্পতিক রাজধানী ঢাকার স্মরণকালের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার নেপথ্য কারন এসব এলাকার খাল, নিম্নাঞ্চল, জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হওয়া।
প্রথম ধাপে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভূমি দখলের কাজে আসে কিশোরগ্যাং। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পরপর প্রথম দখল চেষ্টা আর হত্যার ঘটনা ঘটে বাড্ডা সংলগ্ন আসিয়ান সিটির প্রকল্প দখল চেষ্টা নিয়ে। অভিযোগ আছে দলীয় রাজনৈতিক পরিচয়ধারী কাউন্সিলর কাইয়ূমের নেতৃত্বে সে অভিযানে অংশ নেয়াদের বড় একটি অংশই ছিলো দাড়ি গোঁফ না ওঠা কিশোররা। এরপর সেই জমি বিক্রির পর সেখানে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ অব্যহত রাখতে স্থানীয় থানা পর্যায়ের পাতি নেতারা আবারও আশ্রয় নেন কিশোর গ্যাং এর।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রচলিত জুভেনাইল আইনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু কিশোরদের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন কাজে না আসার সুযোগ নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে মাদক, দখল, ছিনতাই, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে এই শিশু কিশোরদের কাজে লাগিয়ে আসছে স্থানীয় নেতারা। গোয়েন্দা ও পুলিশের তথ্য মতে যদিও গ্যাং সদস্যরা বয়সে শিশু কিশোর তাদের মূল আশ্রয় দাতা পূর্ণ বয়স্ক ও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন। তাদের রয়েছে থানা পুলিশের সাথে চুক্তি। মামলা যদিও বা হয় আদালত পাড়ায় আইনজ্ঞদের কেউ কেউ কখনো কিস্তিতে, কখনো পুরো বাকিতেই এসব অপরাধীদের জামিনের দায়িত্ব নেন। ছাড়া পেয়ে এসব শিশু কিশোররা আপবার নতুন উদ্যোমে মাঠে নামে উকিল বাবুদের দেনা পরিষোধে।
এমনি এক চক্রের নেপথ্যে থাকা স্বাধীন রুমী সিন্ডিকেটের অনুচর সুজনের সন্ধান মেলে। যার দৌরাত্ম রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, বাড্ডা ও বনশ্রী এলাকায়।
সুজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ থাকলেও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বনশ্রী এলাকার আলোচিত দশ তলায় অবস্থিত স্বাধীন রুমি সিন্ডিকেটর জমি ক্রয়-বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে অন্যতম মাসল পাওয়ার সুজন ও তার গ্যাং।
শুরুতে সুজনের মাসল পাওয়ার বা পেশী শক্তির অস্তিত্ব না থাকলেও সম্প্রতি এক লেনদেনে রীতি মতো প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী বনে যান সুজন। মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন ব্যবসায়িক পার্টনারদের সাথে প্রতারণা। সেই শুরু , এখন সেই অর্থ ব্যবহার করে তিনি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন তার জমি বেচা কেনার ব্যবসাটি টিকিয়ে রাখেন। তার প্রভাববলয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনার মতো কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে।
অভিযোগ আছে, ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষকে কাবু করতে সে কখনো বনে যায় ফ্যাসিস্ট থেকে বিএনপির রাজনৈতিক নেতা, কখনো থানা পুলিশকে কাজে লাগিয়ে এলাকা ছাড়া করেন ।
এমনি এক ভুক্তভোগি হাবিব দাবি করেন সুজনসহ একটি জমি বিক্রি করে ভাগে এককোটি বিশ লাখ টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও এখন কোন সাড়া দিচ্ছেন না সুজন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টান্ত মূলক উদ্যোগ নিবেন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে। সাধারণ মানুষের একটাই চাওয়া- ভয় নয়, স্বস্তি। দখল নয়, আইনের শাসন। আতঙ্ক নয়, নিরাপদে ব্যবসা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের নিশ্চয়তা।
এখন সবার নজর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। তদন্তের মাধ্যমে
সুজন ও তার বাহিনীকে গ্রেফতার করে দ্রুত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা। এবং আইনের সুষ্ঠু
প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বিষয় : চাঁদাবাজি মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
মনির হোসেন পাটোয়ারী: রাজধানী ঢাকার প্রাণ মতিঝিল। সেই মতিঝিল লাগোয়া বাসাবো, খিলগাঁও, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী ও বাড্ডার বিভিন্ন এলাকা রাজধানীর ঘনবসতি পূর্ণ এলাকার অন্যতম। আর সেই এলাকাগুলোতেই প্রকাশ্য দিবালোকে চলে মাদক ব্যনিজ্য, চাঁদাবাজি, দখল, ছিনতাই হত্যার মতো ঘটনা।
তবে এই এলাকার আওয়ামী নেতা মিল্কী বনানীতে আর টিপু শাহজাহানপুরে
হত্যার পর অনেকটাই যেনো অভিভাবকহীন ছিলো আন্ডারওয়ার্ল্ড। তবে সম্প্রতি সরকার বদলে নতুন
করে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করে ভূমি দস্যূতা, মাদক স্পট আর রাস্তার চাঁদাবাজি
নিয়ন্ত্রণে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সোস্যাল মিডিয়ায় মোহম্মদপুর সন্ত্রাসী তৎপরতায় ভাইরাল হলেও বাসাবো, খিলগাঁও, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী ও বাড্ডার মতো এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও আহমেদ মেহেদী ওরফে কলিন্স এবং কারবন্দী সুব্রত বাইন এর অনুচরদের নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করা হলেও। স্থানীয়ভাবে চাঁদাবাজি ও অপরাধ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ নাকি এখন রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সিন্ডিকেটের হাতে যাদের নেপথ্যে মদদের অভিযোগ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন,
এলাকায় অপরাধের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছেও মুখ খুলতে ভয় পায়। কারন সব অপরাধের নেপথ্যে
কোন না কোন পুলিশ সদস্য রাখছে মদদ দাতার ভূমিকা। কারন তাদের পোস্টিং নির্ভর করে রাজ
নেতাদের কৃপার উপড়। আর একারনেই লোমহর্ষক ঘটনাও প্রকাশ পায়না।
এসব এলাকার বড় বড় সব অপরাধের নেপথ্যে ভূমি দস্যূতা। কারন ঢাকা ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান, ড্যাপ পাশের পর এসব এলাকায় থাকা জমি আর জলাভূমি সব মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছ। আর সাম্পতিক রাজধানী ঢাকার স্মরণকালের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার নেপথ্য কারন এসব এলাকার খাল, নিম্নাঞ্চল, জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হওয়া।
প্রথম ধাপে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভূমি দখলের কাজে আসে কিশোরগ্যাং। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পরপর প্রথম দখল চেষ্টা আর হত্যার ঘটনা ঘটে বাড্ডা সংলগ্ন আসিয়ান সিটির প্রকল্প দখল চেষ্টা নিয়ে। অভিযোগ আছে দলীয় রাজনৈতিক পরিচয়ধারী কাউন্সিলর কাইয়ূমের নেতৃত্বে সে অভিযানে অংশ নেয়াদের বড় একটি অংশই ছিলো দাড়ি গোঁফ না ওঠা কিশোররা। এরপর সেই জমি বিক্রির পর সেখানে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ অব্যহত রাখতে স্থানীয় থানা পর্যায়ের পাতি নেতারা আবারও আশ্রয় নেন কিশোর গ্যাং এর।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রচলিত জুভেনাইল আইনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু কিশোরদের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন কাজে না আসার সুযোগ নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে মাদক, দখল, ছিনতাই, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে এই শিশু কিশোরদের কাজে লাগিয়ে আসছে স্থানীয় নেতারা। গোয়েন্দা ও পুলিশের তথ্য মতে যদিও গ্যাং সদস্যরা বয়সে শিশু কিশোর তাদের মূল আশ্রয় দাতা পূর্ণ বয়স্ক ও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন। তাদের রয়েছে থানা পুলিশের সাথে চুক্তি। মামলা যদিও বা হয় আদালত পাড়ায় আইনজ্ঞদের কেউ কেউ কখনো কিস্তিতে, কখনো পুরো বাকিতেই এসব অপরাধীদের জামিনের দায়িত্ব নেন। ছাড়া পেয়ে এসব শিশু কিশোররা আপবার নতুন উদ্যোমে মাঠে নামে উকিল বাবুদের দেনা পরিষোধে।
এমনি এক চক্রের নেপথ্যে থাকা স্বাধীন রুমী সিন্ডিকেটের অনুচর সুজনের সন্ধান মেলে। যার দৌরাত্ম রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, বাড্ডা ও বনশ্রী এলাকায়।
সুজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ থাকলেও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বনশ্রী এলাকার আলোচিত দশ তলায় অবস্থিত স্বাধীন রুমি সিন্ডিকেটর জমি ক্রয়-বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে অন্যতম মাসল পাওয়ার সুজন ও তার গ্যাং।
শুরুতে সুজনের মাসল পাওয়ার বা পেশী শক্তির অস্তিত্ব না থাকলেও সম্প্রতি এক লেনদেনে রীতি মতো প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী বনে যান সুজন। মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন ব্যবসায়িক পার্টনারদের সাথে প্রতারণা। সেই শুরু , এখন সেই অর্থ ব্যবহার করে তিনি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন তার জমি বেচা কেনার ব্যবসাটি টিকিয়ে রাখেন। তার প্রভাববলয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনার মতো কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে।
অভিযোগ আছে, ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষকে কাবু করতে সে কখনো বনে যায় ফ্যাসিস্ট থেকে বিএনপির রাজনৈতিক নেতা, কখনো থানা পুলিশকে কাজে লাগিয়ে এলাকা ছাড়া করেন ।
এমনি এক ভুক্তভোগি হাবিব দাবি করেন সুজনসহ একটি জমি বিক্রি করে ভাগে এককোটি বিশ লাখ টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও এখন কোন সাড়া দিচ্ছেন না সুজন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টান্ত মূলক উদ্যোগ নিবেন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে। সাধারণ মানুষের একটাই চাওয়া- ভয় নয়, স্বস্তি। দখল নয়, আইনের শাসন। আতঙ্ক নয়, নিরাপদে ব্যবসা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের নিশ্চয়তা।
এখন সবার নজর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। তদন্তের মাধ্যমে
সুজন ও তার বাহিনীকে গ্রেফতার করে দ্রুত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা। এবং আইনের সুষ্ঠু
প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন