গত ২৯
আগস্ট আয়োজিত মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে
লাগিয়ে বাবলু ও তাঁর সহযোগীরা
কালীগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে ভয়ভীতি, হামলা
ও হয়রানিমূলক মামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন
তাঁরা।
মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী
আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি
জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের
দাবি, জমি নিয়ে বিরোধে
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি
করা হয়েছে।
এ ছাড়া
মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান
শিবলী নামে এক যুবককে
মারধর এবং পরে তাঁর
বিরুদ্ধে মাদক মামলা দেওয়ার
অভিযোগও করেন ভুক্তভোগীরা।
তাঁদের দাবি,
জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ
ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে
নিয়ে বাবলু এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয়
গড়ে তুলেছেন। এই বলয়ের মাধ্যমে
সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
খালেকুজ্জামান বাবলুর
সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন
তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, তুলনামূলক অল্প সময়ে বাবলু
বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর ব্যবহৃত প্রাডো
গাড়ি ও বড় বাড়ির
বিষয় উল্লেখ করে সম্পদের উৎস
তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বাবলুর এক
ভাগনে মিন্টু ৩ হাজার ইয়াবাসহ
গ্রেপ্তার হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে বাবলুর
কথিত মাদক-সম্পৃক্ততা নিয়ে
আলোচনা শুরু হয়। তবে
মিন্টুর গ্রেপ্তার কিংবা মাদক কারবারের সঙ্গে
বাবলুর সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ অভিযোগকারীরা
দেখাতে পারেননি।
সম্প্রতি শ্রীপুরের
পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয়দের কেউ
কেউ ঘটনাটিকে মাদক ব্যবসা বা
অন্য কোনো বিরোধের সঙ্গে
যুক্ত বলে ধারণা করলেও
হামলার কারণ নিশ্চিত হওয়া
যায়নি।
স্থানীয় বিএনপির
কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, বাবলু বিএনপির কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গেও
যোগাযোগ রাখেন। এ নিয়ে স্থানীয়
বিএনপিতে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি
করেন।
তবে এসব
অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মানববন্ধনের পর
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া
এক বিবৃতিতে অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’
বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এসব অভিযোগের পেছনে
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
অন্যদিকে ভুক্তভোগীদের
দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগ
আড়াল করার চেষ্টা করা
হচ্ছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীরা বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। আর অভিযোগ মিথ্যা হলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২৯
আগস্ট আয়োজিত মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে
লাগিয়ে বাবলু ও তাঁর সহযোগীরা
কালীগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে ভয়ভীতি, হামলা
ও হয়রানিমূলক মামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন
তাঁরা।
মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী
আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি
জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের
দাবি, জমি নিয়ে বিরোধে
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি
করা হয়েছে।
এ ছাড়া
মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান
শিবলী নামে এক যুবককে
মারধর এবং পরে তাঁর
বিরুদ্ধে মাদক মামলা দেওয়ার
অভিযোগও করেন ভুক্তভোগীরা।
তাঁদের দাবি,
জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ
ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে
নিয়ে বাবলু এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয়
গড়ে তুলেছেন। এই বলয়ের মাধ্যমে
সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
খালেকুজ্জামান বাবলুর
সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন
তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, তুলনামূলক অল্প সময়ে বাবলু
বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর ব্যবহৃত প্রাডো
গাড়ি ও বড় বাড়ির
বিষয় উল্লেখ করে সম্পদের উৎস
তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বাবলুর এক
ভাগনে মিন্টু ৩ হাজার ইয়াবাসহ
গ্রেপ্তার হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে বাবলুর
কথিত মাদক-সম্পৃক্ততা নিয়ে
আলোচনা শুরু হয়। তবে
মিন্টুর গ্রেপ্তার কিংবা মাদক কারবারের সঙ্গে
বাবলুর সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ অভিযোগকারীরা
দেখাতে পারেননি।
সম্প্রতি শ্রীপুরের
পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয়দের কেউ
কেউ ঘটনাটিকে মাদক ব্যবসা বা
অন্য কোনো বিরোধের সঙ্গে
যুক্ত বলে ধারণা করলেও
হামলার কারণ নিশ্চিত হওয়া
যায়নি।
স্থানীয় বিএনপির
কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, বাবলু বিএনপির কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গেও
যোগাযোগ রাখেন। এ নিয়ে স্থানীয়
বিএনপিতে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি
করেন।
তবে এসব
অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মানববন্ধনের পর
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া
এক বিবৃতিতে অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’
বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এসব অভিযোগের পেছনে
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
অন্যদিকে ভুক্তভোগীদের
দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগ
আড়াল করার চেষ্টা করা
হচ্ছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীরা বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। আর অভিযোগ মিথ্যা হলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন