প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা
দিয়ে ভালো কিছু অর্জন
করলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সেই
অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার। তিনি
বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন না। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের অর্জন।
মেধাবীদের উৎসাহিত ও যথাযথ মূল্যায়নের
ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এর সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
ও দেশ পাবে। সরকার
গঠনের পর থেকেই মেধাবী
ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা
হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এর অংশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত
প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। এতে
বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ,
তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল
হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ,
তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। একইভাবে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং
হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ,
তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে তৃতীয় হন।
অনুষ্ঠানে বিজয়ী হাফেজদের মাদ্রাসার শিক্ষকেরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে
তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভব হলে
সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
প্রয়োজন হলে নিয়ম মেনে
সরকারকে জানালে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা এরকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করুক এবং অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য তারা সম্মান এবং গৌরব নিয়ে আসুক।
দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা
ও পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সবাইকে
একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান
জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজের
ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু
লক্ষ্য একই দেশে শান্তি
প্রতিষ্ঠা করা, যাতে সবাই
ভালো ও শান্তিতে থাকতে
পারে এবং মানুষ মানুষের
মতো করে বাঁচতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের বই উপহার দেন।
এর আগে তাঁরা যে
সূরা তিলাওয়াত করে প্রতিযোগিতায় পুরস্কার
অর্জন করেছেন, সেই সূরার আয়াত
তাঁদের কণ্ঠে শোনেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা
দিয়ে ভালো কিছু অর্জন
করলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সেই
অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার। তিনি
বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন না। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের অর্জন।
মেধাবীদের উৎসাহিত ও যথাযথ মূল্যায়নের
ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এর সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
ও দেশ পাবে। সরকার
গঠনের পর থেকেই মেধাবী
ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা
হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এর অংশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত
প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। এতে
বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ,
তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল
হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ,
তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। একইভাবে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং
হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ,
তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত
বিভাগে তৃতীয় হন।
অনুষ্ঠানে বিজয়ী হাফেজদের মাদ্রাসার শিক্ষকেরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে
তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভব হলে
সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
প্রয়োজন হলে নিয়ম মেনে
সরকারকে জানালে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা এরকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করুক এবং অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য তারা সম্মান এবং গৌরব নিয়ে আসুক।
দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা
ও পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সবাইকে
একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান
জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজের
ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু
লক্ষ্য একই দেশে শান্তি
প্রতিষ্ঠা করা, যাতে সবাই
ভালো ও শান্তিতে থাকতে
পারে এবং মানুষ মানুষের
মতো করে বাঁচতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের বই উপহার দেন।
এর আগে তাঁরা যে
সূরা তিলাওয়াত করে প্রতিযোগিতায় পুরস্কার
অর্জন করেছেন, সেই সূরার আয়াত
তাঁদের কণ্ঠে শোনেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন