আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্লাবের মাধ্যমে মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজি, মান্দারিন, জাপানিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা চর্চার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে
জানা
যায়,
প্রতিটি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে
নিয়মিত
ভাষাচর্চা ও
স্পিকিং সেশনের
পাশাপাশি পাবলিক
স্পিকিং, বিতর্ক,
উপস্থাপনা, বইপাঠ,
সাহিত্য ও
সাংস্কৃতিক আয়োজন,
সেমিনার, কর্মশালা এবং
ভাষাভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
একই
সঙ্গে
প্রচলিত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ভাষা
শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ
ব্যবহারের সুযোগও
থাকবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে,
শিক্ষার্থীদের ভাষাগত
দক্ষতা
উন্নয়নের জন্য
একটি
সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা থেকেই
এ
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
তাদের
প্রত্যাশা, এ
কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা এবং
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের সক্ষমতা বাড়াতে
সহায়ক
হবে।
ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালুর
বিষয়ে
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.
এ.
এস.
এম.
আমানুল্লাহ বলেন,
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে
শুধু
প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি
অর্জন
যথেষ্ট
নয়;
বৈশ্বিক পরিসরে
কার্যকরভাবে যোগাযোগ করার
দক্ষতাও সমান
গুরুত্বপূর্ণ। তিনি
বলেন,
অনেক
মেধাবী
শিক্ষার্থী কেবল
ভাষাগত
সীমাবদ্ধতার কারণে
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
পিছিয়ে
পড়ে।
কলেজ
পর্যায়ে ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালুর
লক্ষ্য
হলো
শিক্ষার্থীদের ভাষাভীতি ও
জড়তা
দূর
করে
ইংরেজি
বা
অন্য
কোনো
আন্তর্জাতিক ভাষায়
সাবলীলভাবে কথা
বলার
সক্ষমতা তৈরি
করা।
প্রতিটি কলেজ
থেকে
এমন
শিক্ষার্থী গড়ে
তোলাই
উদ্দেশ্য, যারা
বৈশ্বিক পরিবেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
নিজেদের উপস্থাপন করতে
পারবে।
শিক্ষক, অভিভাবক ও
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ
উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে
দেখছেন। তাদের
মতে,
বিশেষ
করে
প্রত্যন্ত অঞ্চলের কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা ভাষা
অনুশীলনের পর্যাপ্ত সুযোগ
থেকে
বঞ্চিত
হন।
ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালু
হলে
সেই
ঘাটতি
অনেকটাই পূরণ
হবে
এবং
চতুর্থ
শিল্পবিপ্লবের যুগে
প্রয়োজনীয় ভাষাগত
দক্ষতা
অর্জনে
শিক্ষার্থীরা আরও
এগিয়ে
যেতে
পারবেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই ঢাকা মহানগরের অধিভুক্ত কলেজগুলোর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে ক্লাব পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্লাবের মাধ্যমে মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজি, মান্দারিন, জাপানিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা চর্চার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে
জানা
যায়,
প্রতিটি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে
নিয়মিত
ভাষাচর্চা ও
স্পিকিং সেশনের
পাশাপাশি পাবলিক
স্পিকিং, বিতর্ক,
উপস্থাপনা, বইপাঠ,
সাহিত্য ও
সাংস্কৃতিক আয়োজন,
সেমিনার, কর্মশালা এবং
ভাষাভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
একই
সঙ্গে
প্রচলিত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ভাষা
শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ
ব্যবহারের সুযোগও
থাকবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে,
শিক্ষার্থীদের ভাষাগত
দক্ষতা
উন্নয়নের জন্য
একটি
সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা থেকেই
এ
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
তাদের
প্রত্যাশা, এ
কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা এবং
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের সক্ষমতা বাড়াতে
সহায়ক
হবে।
ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালুর
বিষয়ে
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.
এ.
এস.
এম.
আমানুল্লাহ বলেন,
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে
শুধু
প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি
অর্জন
যথেষ্ট
নয়;
বৈশ্বিক পরিসরে
কার্যকরভাবে যোগাযোগ করার
দক্ষতাও সমান
গুরুত্বপূর্ণ। তিনি
বলেন,
অনেক
মেধাবী
শিক্ষার্থী কেবল
ভাষাগত
সীমাবদ্ধতার কারণে
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
পিছিয়ে
পড়ে।
কলেজ
পর্যায়ে ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালুর
লক্ষ্য
হলো
শিক্ষার্থীদের ভাষাভীতি ও
জড়তা
দূর
করে
ইংরেজি
বা
অন্য
কোনো
আন্তর্জাতিক ভাষায়
সাবলীলভাবে কথা
বলার
সক্ষমতা তৈরি
করা।
প্রতিটি কলেজ
থেকে
এমন
শিক্ষার্থী গড়ে
তোলাই
উদ্দেশ্য, যারা
বৈশ্বিক পরিবেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
নিজেদের উপস্থাপন করতে
পারবে।
শিক্ষক, অভিভাবক ও
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ
উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে
দেখছেন। তাদের
মতে,
বিশেষ
করে
প্রত্যন্ত অঞ্চলের কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা ভাষা
অনুশীলনের পর্যাপ্ত সুযোগ
থেকে
বঞ্চিত
হন।
ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
চালু
হলে
সেই
ঘাটতি
অনেকটাই পূরণ
হবে
এবং
চতুর্থ
শিল্পবিপ্লবের যুগে
প্রয়োজনীয় ভাষাগত
দক্ষতা
অর্জনে
শিক্ষার্থীরা আরও
এগিয়ে
যেতে
পারবেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই ঢাকা মহানগরের অধিভুক্ত কলেজগুলোর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে ক্লাব পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন