ডিজিটাল বিভাজন যেন এআই বিভাজনে পরিণত না হয়: ফকির মাহবুব আনাম
বর্তমানের ডিজিটাল বিভাজন
যেন
ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)
বিভাজনে পরিণত
না
হয়,
সেটিই
বাংলাদেশের অন্যতম
অঙ্গীকার বলে
জানিয়েছেন ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও
তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির
মাহবুব
আনাম।সরকারি খাতে
এআই
ব্যবহারে আস্থা,
সক্ষমতা বৃদ্ধি
ও
আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর
গুরুত্ব দিয়ে
তিনি
বলেছেন,
এআই
যেন
নতুন
কোনো
বৈষম্য
তৈরি
না
করে।
বরং
বিদ্যমান বৈষম্য
কমাতে
প্রযুক্তিকে কাজে
লাগাতে
হবে।মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে শুরু
হওয়া
দুই
দিনব্যাপী ‘এআই
গভর্ন্যান্স ইন
প্র্যাকটিস: প্র্যাকটিক্যাল ইউজ
কেসেস,
ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি, ইনোভেশন অ্যাট
স্কেল
অ্যান্ড গ্লোবাল কো-অপারেশন’ শীর্ষক আন্তঃআঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ১২টি
অংশগ্রহণকারী দেশের
পক্ষে
বক্তব্য দেওয়ার
সময়
মন্ত্রী এসব
কথা
বলেন।৬ ও
৭
অক্টোবর অনুষ্ঠেয় সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন
করেছে
কোরিয়া
প্রজাতন্ত্রের সরকার,
আস্তানা সিভিল
সার্ভিস হাব,
ইউএনডিপি এবং
তুরস্ক
প্রজাতন্ত্র।ফকির মাহবুব
আনাম
বলেন,
এআই
এখন
আর
শুধু
ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়।
সরকারি
সিদ্ধান্ত গ্রহণ,
নাগরিক
সেবা
এবং
উন্নয়ন
কার্যক্রমে এটি
ইতিমধ্যে বড়
ধরনের
পরিবর্তন আনছে।
তাই
প্রশ্ন
শুধু
কত
দ্রুত
এআই
গ্রহণ
করা
হবে,
তা
নয়;
বরং
কতটা
দায়িত্বশীল, প্রজ্ঞাপূর্ণ ও
অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে এর
ব্যবহার ও
নিয়ন্ত্রণ করা
হবে,
সেটিই
গুরুত্বপূর্ণ।এআই সুশাসনের জন্য
তিনটি
মৌলিক
বিষয়ের
ওপর
গুরুত্ব দেন
মন্ত্রী। প্রথমত,
সরকারি
কাজে
এআই
ব্যবহারে আস্থা
ও
বিশ্বাস নিশ্চিত করতে
হবে।
এ
ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার হতে
হবে
দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ,
জবাবদিহিমূলক ও
মানবকেন্দ্রিক।দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষ
মানবসম্পদ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, কার্যকর ডেটা
গভর্ন্যান্স এবং
সময়োপযোগী আইনি
কাঠামো
গড়ে
তুলতে
হবে।তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে
হবে।
কোনো
একটি
দেশের
কাছে
এআই
ব্যবহারের সব
সমাধান
নেই
উল্লেখ
করে
তিনি
অভিজ্ঞতা ও
জ্ঞান
বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর
গুরুত্ব দেন।জাতিসংঘ সাধারণ
পরিষদে
প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানের দেওয়া
বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে
মন্ত্রী বলেন,
এআই
যেন
নতুন
বৈষম্য
তৈরি
না
করে;
বরং
বিদ্যমান বৈষম্য
দূর
করতে
সহায়ক
শক্তি
হিসেবে
কাজ
করে।
এ
জন্য
প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা
উন্নয়ন
এবং
সাশ্রয়ী মূল্যে
আধুনিক
প্রযুক্তির সুযোগ
নিশ্চিত করার
আহ্বান
জানান
তিনি।ফকির মাহবুব
আনাম
আশা
প্রকাশ
করেন,
সম্মেলনটি উদ্ভাবন, আস্থা
ও
অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তির এমন
একটি
প্ল্যাটফর্ম তৈরি
করবে,
যেখানে
কোনো
দেশ
পিছিয়ে
থাকবে
না।
একই
সঙ্গে
এ
উদ্যোগের প্রতি
বাংলাদেশের দৃঢ়
অঙ্গীকার ও
সমর্থনের কথাও
পুনর্ব্যক্ত করেন
তিনি।দুই দিনের
এ
সম্মেলনে ককেশাস,
মধ্য
এশিয়া
ও
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও
ইউএনডিপি এবং
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন
সহযোগী
সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ
নিচ্ছেন।