কলকাতায় বসে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রেহানা আক্তার রানু
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ
সদস্য রেহানা আক্তার রানু অভিযোগ করেছেন,
পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা কলকাতায়
বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের
দিয়ে আন্দোলন করাচ্ছেন। তাঁর দাবি, তাঁরাই
কারখানায় আগুন দিয়েছেন।শনিবার
ফেনীতে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।রেহানা
আক্তার রানু বলেন, আওয়ামী
লীগ ক্ষমতায় এলেই গণতন্ত্র হত্যা
করে। গত ১৭ বছর
ধরে দলটি একইভাবে গণতন্ত্রকে
ধ্বংস করেছে। এ সময়ে বিএনপির
শত শত নেতাকর্মীকে জেল-জুলুম, গুম ও হত্যার
শিকার হতে হয়েছে। অনেক
নেতাকর্মীকে নিজেদের বাড়িঘরেও থাকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ
করেন তিনি।বর্তমান
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সংসদ
সদস্য বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আগুনের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার কারণে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে
সময় লাগবে। তবে যারা ষড়যন্ত্র
করছেন, তাদের ষড়যন্ত্র সফল হবে না।৭
নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি
বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫
সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা
করেছিল। ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব অবরুদ্ধ গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান সেদিন বাংলাদেশকে মুক্ত করেছিলেন। তিনি
আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক
বিপ্লবের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র
প্রতিহত করতে হবে এবং
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক
এম এ খালেক ও
পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য দেন জাসাসের জেলা
সভাপতি কাজী ইকবাল আহমেদ
পরান। জেলা
শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালচারাল কর্মকর্তা
সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও আবৃত্তিকার সৈয়দ
আশরাফুল হক আরমান।এতে
আরও বক্তব্য দেন ফেনী জেলা
জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল
হান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম
আহ্বায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক,
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবু নাসের চৌধুরী,
জেলা যুবদলের সদস্যসচিব নইম উল্লাহ চৌধুরী
বরাত এবং জেলা ছাত্রদলের
সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন।অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন
ডা. মো. আরিফুজ্জামান, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা
সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
মোহাম্মদ আল আমিন সরকার,
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তা এবং জেলা বিএনপির
যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।