360 News
Post Ads 1
Post Ads 2

অপরাধ

আওয়ামী লীগের পদ থেকে বিএনপির ছায়ায় রিকশা বশির

আওয়ামী লীগের পদ থেকে বিএনপির ছায়ায় রিকশা বশির
Post Ads 3
বাড্ডা থানা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি রিকশা বশির।

একসময় দিনমজুরি রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন বশির আহমেদ। বাড্ডা এলাকায় তিনি এখনরিকশা বশিরনামে পরিচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দেড় দশকে রাজনৈতিক পরিচয় রিকশা ব্যবসাকে ঘিরে এলাকায় তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে।

Middle Post Content 1

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাড্ডা থানা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি ছিলেন বশির। ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সময় রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট, পোস্ট অফিস রোড, আফতাবনগর পুলিশ প্লাজা এলাকায় অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নেন বশির।

Middle Post Content 2

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নিয়ন্ত্রণে ২০০টির বেশি অবৈধ অটোরিকশা ৩০০টির বেশি ম্যানুয়েল রিকশা রয়েছে। ছাড়া ওয়ার্ডের হাজার হাজার রিকশা থেকেও চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঁদার একটি অংশ ট্রাফিক পুলিশ, থানা প্রভাবশালী মহলের কাছে যেতএমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ পানির সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

Middle Post Content 3

বশিরের রিকশার গ্যারেজ ঘিরেও স্থানীয়দের নানা অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, বশিরের শ্যালক আলাচন আক্তারের নেতৃত্বে একটি মাদক সিন্ডিকেট এসব গ্যারেজ ব্যবহার করে। মাদক সংরক্ষণ কেনাবেচার পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি রিকশা চোর চক্রের সদস্যদের যাতায়াত আশ্রয়ের স্থান হিসেবেও গ্যারেজগুলো ব্যবহৃত হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

Middle Post Content 1

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় বশিরের অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আন্দোলন দমনে অংশ নেওয়া এবং সরকারের পক্ষে মাইকিং করার অভিযোগে বাড্ডা থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় বশির এজাহারভুক্ত আসামি।

Middle Post Content 1

এরপর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গেলে বশিরের দলীয় পরিচয়ও বদলে যায় বলে জানিয়েছেন তাঁর সাবেক সংগঠনের নেতারা। বাড্ডা থানা রিকশা শ্রমিক লীগের সভাপতি মকবুল আহমেদ বলেন, বশির আগে আমাদের সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল এবং সহসভাপতি ছিল। তবে পটপরিবর্তনের পর সে এখন বিএনপি করছে।

Middle Post Content 1

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের পরও কীভাবে বশির তাঁর আগের প্রভাব রিকশা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং মামলার বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিষয় : মাদক বাড্ডা রিকশা সিন্ডিকেট রাজনৈতিক পরিচয়

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
360 News

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আওয়ামী লীগের পদ থেকে বিএনপির ছায়ায় রিকশা বশির

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

একসময় দিনমজুরি রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন বশির আহমেদ। বাড্ডা এলাকায় তিনি এখনরিকশা বশিরনামে পরিচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দেড় দশকে রাজনৈতিক পরিচয় রিকশা ব্যবসাকে ঘিরে এলাকায় তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাড্ডা থানা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি ছিলেন বশির। ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সময় রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট, পোস্ট অফিস রোড, আফতাবনগর পুলিশ প্লাজা এলাকায় অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নেন বশির।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নিয়ন্ত্রণে ২০০টির বেশি অবৈধ অটোরিকশা ৩০০টির বেশি ম্যানুয়েল রিকশা রয়েছে। ছাড়া ওয়ার্ডের হাজার হাজার রিকশা থেকেও চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঁদার একটি অংশ ট্রাফিক পুলিশ, থানা প্রভাবশালী মহলের কাছে যেতএমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ পানির সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

বশিরের রিকশার গ্যারেজ ঘিরেও স্থানীয়দের নানা অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, বশিরের শ্যালক আলাচন আক্তারের নেতৃত্বে একটি মাদক সিন্ডিকেট এসব গ্যারেজ ব্যবহার করে। মাদক সংরক্ষণ কেনাবেচার পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি রিকশা চোর চক্রের সদস্যদের যাতায়াত আশ্রয়ের স্থান হিসেবেও গ্যারেজগুলো ব্যবহৃত হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় বশিরের অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আন্দোলন দমনে অংশ নেওয়া এবং সরকারের পক্ষে মাইকিং করার অভিযোগে বাড্ডা থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় বশির এজাহারভুক্ত আসামি।

এরপর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গেলে বশিরের দলীয় পরিচয়ও বদলে যায় বলে জানিয়েছেন তাঁর সাবেক সংগঠনের নেতারা। বাড্ডা থানা রিকশা শ্রমিক লীগের সভাপতি মকবুল আহমেদ বলেন, বশির আগে আমাদের সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল এবং সহসভাপতি ছিল। তবে পটপরিবর্তনের পর সে এখন বিএনপি করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের পরও কীভাবে বশির তাঁর আগের প্রভাব রিকশা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং মামলার বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


360 News


কপিরাইট © ২০২৬ 360 News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আওয়ামী লীগের পদ থেকে বিএনপির ছায়ায় রিকশা বশির
0:00 0:00
1.0x