হেলিকপ্টারটি ঘন
গাছপালায় আচ্ছাদিত পাহাড়ি বনাঞ্চল তিজুকা ন্যাশনাল পার্কে বিধ্বস্ত হয়। দমকল বাহিনী
জানিয়েছে, নিহত চারজনের মধ্যে
পাইলটসহ তিন নারী আগুনে
পুড়ে মারা যান। দুর্গম
ও খাড়া পাহাড়ের ঢালে
পড়ে থাকা হেলিকপ্টারটির ধোঁয়া
ওঠা ধ্বংসাবশেষের ছবিও প্রকাশ করেছে
তারা।
রিও ডি
জেনিরোতে কলম্বিয়ার কনসাল জেনারেল ডায়ানা পায়েস এএফপিকে বলেন, নিহত তিন নারী
একই পরিবারের সদস্য। একটি কিশোরীর ১৫তম
জন্মদিন উদযাপন করতে পরিবারের সদস্যরা
কলম্বিয়া থেকে রিও ডি
জেনিরোতে এসেছিলেন।
ছয় সদস্যের
পরিবারটি দুটি দলে ভাগ
হয়ে হেলিকপ্টারে ওঠার পরিকল্পনা করেছিল।
কারণ, হেলিকপ্টারটিতে একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনজন যাত্রী নেওয়ার সুযোগ ছিল।
পায়েস জানান,
দুর্ঘটনায় ওই কিশোরীর দাদি,
খালা ও এক চাচাতো
বোন নিহত হয়েছেন। পরে
কিশোরীর বাবা ও তাঁর
সঙ্গীর দ্বিতীয় দফায় হেলিকপ্টারে ওঠার
কথা ছিল।
নিহতদের পরিচয়
শনাক্ত করতে ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষকে
সহযোগিতা করছে কলম্বিয়ার কনস্যুলেট।
তবে মরদেহগুলোর অবস্থার কারণে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে পড়েছে
বলে জানানো হয়েছে।
হেলিকপ্টারটি ভিস্তা
চিনেসা এলাকার কাছে বিধ্বস্ত হয়।
ওই এলাকায় চীনা প্যাগোডার আদলে
নির্মিত একটি স্থাপনা রয়েছে।
উঁচু পাহাড়ি অবস্থান থেকে সেখানকার বনাঞ্চলের
মধ্য দিয়ে রিও শহরের
দৃশ্য দেখা যায়। ২০১১
সালের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘রিও’তেও স্থাপনাটি
দেখা গেছে।
রিও ডি
জেনিরোর দর্শনীয় স্থান ও সমুদ্রতীরবর্তী প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য আকাশ থেকে দেখার
জন্য পর্যটকদের মধ্যে হেলিকপ্টার ভ্রমণ বেশ জনপ্রিয়।
এর আগে
গত জুনে রিওর আকাশে
দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন।
তাঁদের মধ্যে মার্কিন গায়ক অলিভার ট্রি
এবং আর্জেন্টিনার ইউটিউবার গ্যাসপার প্রিম ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর রিও ডি জেনিরোর মেয়র এদুয়ার্দো কাভালিয়েরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, হেলিকপ্টার চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সিকে অবিলম্বে নজরদারি জোরদার করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
হেলিকপ্টারটি ঘন
গাছপালায় আচ্ছাদিত পাহাড়ি বনাঞ্চল তিজুকা ন্যাশনাল পার্কে বিধ্বস্ত হয়। দমকল বাহিনী
জানিয়েছে, নিহত চারজনের মধ্যে
পাইলটসহ তিন নারী আগুনে
পুড়ে মারা যান। দুর্গম
ও খাড়া পাহাড়ের ঢালে
পড়ে থাকা হেলিকপ্টারটির ধোঁয়া
ওঠা ধ্বংসাবশেষের ছবিও প্রকাশ করেছে
তারা।
রিও ডি
জেনিরোতে কলম্বিয়ার কনসাল জেনারেল ডায়ানা পায়েস এএফপিকে বলেন, নিহত তিন নারী
একই পরিবারের সদস্য। একটি কিশোরীর ১৫তম
জন্মদিন উদযাপন করতে পরিবারের সদস্যরা
কলম্বিয়া থেকে রিও ডি
জেনিরোতে এসেছিলেন।
ছয় সদস্যের
পরিবারটি দুটি দলে ভাগ
হয়ে হেলিকপ্টারে ওঠার পরিকল্পনা করেছিল।
কারণ, হেলিকপ্টারটিতে একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনজন যাত্রী নেওয়ার সুযোগ ছিল।
পায়েস জানান,
দুর্ঘটনায় ওই কিশোরীর দাদি,
খালা ও এক চাচাতো
বোন নিহত হয়েছেন। পরে
কিশোরীর বাবা ও তাঁর
সঙ্গীর দ্বিতীয় দফায় হেলিকপ্টারে ওঠার
কথা ছিল।
নিহতদের পরিচয়
শনাক্ত করতে ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষকে
সহযোগিতা করছে কলম্বিয়ার কনস্যুলেট।
তবে মরদেহগুলোর অবস্থার কারণে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে পড়েছে
বলে জানানো হয়েছে।
হেলিকপ্টারটি ভিস্তা
চিনেসা এলাকার কাছে বিধ্বস্ত হয়।
ওই এলাকায় চীনা প্যাগোডার আদলে
নির্মিত একটি স্থাপনা রয়েছে।
উঁচু পাহাড়ি অবস্থান থেকে সেখানকার বনাঞ্চলের
মধ্য দিয়ে রিও শহরের
দৃশ্য দেখা যায়। ২০১১
সালের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘রিও’তেও স্থাপনাটি
দেখা গেছে।
রিও ডি
জেনিরোর দর্শনীয় স্থান ও সমুদ্রতীরবর্তী প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য আকাশ থেকে দেখার
জন্য পর্যটকদের মধ্যে হেলিকপ্টার ভ্রমণ বেশ জনপ্রিয়।
এর আগে
গত জুনে রিওর আকাশে
দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন।
তাঁদের মধ্যে মার্কিন গায়ক অলিভার ট্রি
এবং আর্জেন্টিনার ইউটিউবার গ্যাসপার প্রিম ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর রিও ডি জেনিরোর মেয়র এদুয়ার্দো কাভালিয়েরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, হেলিকপ্টার চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সিকে অবিলম্বে নজরদারি জোরদার করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন