বুধবার রাজধানীর
মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন,
বরাদ্দ পাওয়া বাসাটি তাঁর বা তাঁর
পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। সেখানে তিনি
বসবাসও করেন না; রাষ্ট্রীয়
দায়িত্ব ও কূটনৈতিক কাজ
পরিচালনার প্রয়োজনেই এটি ব্যবহার করা
হচ্ছে।
সংসদ সদস্যদের
সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনার সময়
নিজেই বিষয়টি তুলে ধরে শফিকুর
রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, ‘আপনি
তো বাসা নিয়েছেন। আপনি
বলেছিলেন প্লট নেবেন না,
এখন বাড়ি নিলেন কেন?’
এর জবাবে
তিনি বলেন, ‘বাসাটা আমাকে বা আমার পরিবারকে
দলিল করে লিখে দেওয়া
হয়নি। থাকার জন্য দিলেও আমি
সেখানে থাকি না। আমি
সেখানে রাষ্ট্রীয় কিছু কাজ করি।’
বিরোধীদলীয় নেতা
বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক এবং বিজিএমইএ,
বিকেএমইএ, বিটিএমসিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও অংশীজনের সঙ্গে
আলোচনার জন্য একটি উপযুক্ত
পরিসরের প্রয়োজন হয়। এসব আনুষ্ঠানিক
কাজের জন্যই সরকারি বাসভবনটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে
জানান তিনি।
দায়িত্বের মেয়াদ
শেষ হলে সরকারি সম্পদ
যথাযথভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন শফিকুর
রহমান। তাঁর ভাষায়, ‘সংসদ
ভেঙে গেলে বা দায়িত্বের
মেয়াদ শেষ হলে সরকারি
জিনিসপত্র যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে আমরা আমাদের
নিজস্ব জিনিসপত্র নিয়ে চলে আসব।
এটি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা
বা সম্পদ নয়।’
নির্বাচনের
আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নামমাত্র
মূল্যে সরকারি প্লট কিংবা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি না
নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাঁরা এখনো অটল রয়েছেন।
বিষয় : শফিকুর রহমান জামায়াত বিরোধীদলীয় নেতা প্লট

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার রাজধানীর
মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন,
বরাদ্দ পাওয়া বাসাটি তাঁর বা তাঁর
পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। সেখানে তিনি
বসবাসও করেন না; রাষ্ট্রীয়
দায়িত্ব ও কূটনৈতিক কাজ
পরিচালনার প্রয়োজনেই এটি ব্যবহার করা
হচ্ছে।
সংসদ সদস্যদের
সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনার সময়
নিজেই বিষয়টি তুলে ধরে শফিকুর
রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, ‘আপনি
তো বাসা নিয়েছেন। আপনি
বলেছিলেন প্লট নেবেন না,
এখন বাড়ি নিলেন কেন?’
এর জবাবে
তিনি বলেন, ‘বাসাটা আমাকে বা আমার পরিবারকে
দলিল করে লিখে দেওয়া
হয়নি। থাকার জন্য দিলেও আমি
সেখানে থাকি না। আমি
সেখানে রাষ্ট্রীয় কিছু কাজ করি।’
বিরোধীদলীয় নেতা
বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক এবং বিজিএমইএ,
বিকেএমইএ, বিটিএমসিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও অংশীজনের সঙ্গে
আলোচনার জন্য একটি উপযুক্ত
পরিসরের প্রয়োজন হয়। এসব আনুষ্ঠানিক
কাজের জন্যই সরকারি বাসভবনটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে
জানান তিনি।
দায়িত্বের মেয়াদ
শেষ হলে সরকারি সম্পদ
যথাযথভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন শফিকুর
রহমান। তাঁর ভাষায়, ‘সংসদ
ভেঙে গেলে বা দায়িত্বের
মেয়াদ শেষ হলে সরকারি
জিনিসপত্র যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে আমরা আমাদের
নিজস্ব জিনিসপত্র নিয়ে চলে আসব।
এটি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা
বা সম্পদ নয়।’
নির্বাচনের
আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নামমাত্র
মূল্যে সরকারি প্লট কিংবা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি না
নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাঁরা এখনো অটল রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন