মঙ্গলবার
দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা
বলেন।
মন্ত্রী
জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে আগে একটি মাস্টারপ্ল্যান
ছিল। সেটির ভিত্তিতে নীতিগত ও প্রাথমিক কার্যক্রমও
শুরু হয়েছিল। এখন এ বিষয়ে
প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। অনুমোদন
পাওয়া গেলে দ্রুত পরবর্তী
পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বর্তমান
সচিবালয়ের স্থানসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যার
কথা তুলে ধরে জাকারিয়া
তাহের বলেন, গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা
ও পর্যাপ্ত স্থানের অভাবে প্রায়ই জটিলতা তৈরি হচ্ছে। অনেক
মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে
বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
তিনি
বলেন, বর্তমান সচিবালয়ের বেশির ভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত।
ভবনগুলো পুরোনো হয়ে যাওয়ায় ভূমিকম্পসহ
বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং নিরাপত্তার বিষয়
বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী বিকল্প
খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আগারগাঁওয়ে নতুন স্থানে সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছা রয়েছে। মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার
দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা
বলেন।
মন্ত্রী
জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে আগে একটি মাস্টারপ্ল্যান
ছিল। সেটির ভিত্তিতে নীতিগত ও প্রাথমিক কার্যক্রমও
শুরু হয়েছিল। এখন এ বিষয়ে
প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। অনুমোদন
পাওয়া গেলে দ্রুত পরবর্তী
পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বর্তমান
সচিবালয়ের স্থানসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যার
কথা তুলে ধরে জাকারিয়া
তাহের বলেন, গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা
ও পর্যাপ্ত স্থানের অভাবে প্রায়ই জটিলতা তৈরি হচ্ছে। অনেক
মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে
বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
তিনি
বলেন, বর্তমান সচিবালয়ের বেশির ভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত।
ভবনগুলো পুরোনো হয়ে যাওয়ায় ভূমিকম্পসহ
বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং নিরাপত্তার বিষয়
বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী বিকল্প
খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আগারগাঁওয়ে নতুন স্থানে সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছা রয়েছে। মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন