শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী
পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির
ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর
রহমান। দলের সেক্রেটারি জেনারেল
মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে দলের সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি
নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
শেষে সর্বসম্মতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত
হয়েছে। এ লক্ষ্যে রোববার
১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ
নেতাদের বৈঠক আহ্বান করা
হয়েছে। ওই বৈঠকে প্রার্থী
চূড়ান্ত করা হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা
গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম
আলোচনায় এসেছে। জামায়াতের নেতাদের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের
শীর্ষ কয়েকজন নেতার নামও বিবেচনায় রয়েছে।
তবে প্রার্থী হিসেবে
কোনো সংসদ সদস্যকে না
রাখার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে।
১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে
জামায়াতের প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে আলোচনা করে
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ছাড়া জামায়াতের
নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার এবং ১১ দলীয়
ঐক্য ঘোষিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়।
১১ দলীয় ঐক্যের
সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী
সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, রোববার
বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর
মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার
সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের
শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং বিরোধী দলের
পক্ষ থেকে প্রার্থী মনোনয়নের
বিষয়ে আলোচনা করে বৈঠকে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত
২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
পদত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির
পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।
এরই
মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল
অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত
হবে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী
পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির
ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর
রহমান। দলের সেক্রেটারি জেনারেল
মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে দলের সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি
নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
শেষে সর্বসম্মতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত
হয়েছে। এ লক্ষ্যে রোববার
১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ
নেতাদের বৈঠক আহ্বান করা
হয়েছে। ওই বৈঠকে প্রার্থী
চূড়ান্ত করা হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা
গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম
আলোচনায় এসেছে। জামায়াতের নেতাদের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের
শীর্ষ কয়েকজন নেতার নামও বিবেচনায় রয়েছে।
তবে প্রার্থী হিসেবে
কোনো সংসদ সদস্যকে না
রাখার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে।
১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে
জামায়াতের প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে আলোচনা করে
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ছাড়া জামায়াতের
নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার এবং ১১ দলীয়
ঐক্য ঘোষিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়।
১১ দলীয় ঐক্যের
সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী
সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, রোববার
বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর
মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার
সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের
শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং বিরোধী দলের
পক্ষ থেকে প্রার্থী মনোনয়নের
বিষয়ে আলোচনা করে বৈঠকে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত
২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
পদত্যাগ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির
পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।
এরই
মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল
অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত
হবে।

আপনার মতামত লিখুন